স্থায়ীভাবে শরীরের লোম দূর করার উপায়: শরীরের অবাঞ্ছিত লোম গুলো খুব সমস্যা করে। বিশেষ করে নারীদের শরীরের অনেক জায়গাই অবাঞ্ছিত লোম দেখা যায়। বিভিন্ন সেলুন বা পার্লারে গিয়ে লোমগুলো তুলতে গেলে অনেক খরচ হয়। আবার খরচ বাঁচাতে গিয়ে মুখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এর লোম রাখা খুব অস্বস্তিকর। নারীদের শরীরে বিশেষ করে মুখে পিঠে পায় অতিরিক্ত লোম সৌন্দর্য নষ্ট করে। তাই সকলেই বাড়িতে বসেই সহজ উপায়ে স্থায়ীভাবে শরীরের লোম দূর করার উপায় জানতে চান। Read in English

আমাদের আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা স্থায়ীভাবে শরীরের লোম দূর করার উপায় গুলো সম্পর্কে আলোচনা করব। এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম নিমিষেই দূর করা সম্ভব। আপনি যদি শরীরের অবাঞ্ছিত লোম গুলো স্থায়ীভাবে দূর করার উপায় সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আজকের এই আলোচনাটি অবশ্যই আপনার জন্য প্রয়োজনীয় হবে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে মূল আলোচনায় আসা যাক। আজ আমরা চিনি ব্যবহার করে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম গুলো সহজে দূর করার উপায় সম্পর্কে জানব।

ডোমেইন হোস্টিং কিভাবে কিনতে হয়

স্থায়ীভাবে শরীরের লোম দূর করার উপায়

স্থায়ীভাবে শরীরের লোম দূর করার উপায় রয়েছে অনেক। তার মধ্যে যে উপায়টি অনুসরণ করে আপনি বাড়িতে বসেই নিজে থেকেই শরীরের অবাঞ্ছিত লোম গুলো দূর করতে পারেন সেই রকম একটি পদ্ধতি আমাদের আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

বাড়িতে বসে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম গুলো সহজে দূর করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে 2 কাপ চিনি, এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ লেবুর রস, এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ পানি এবং তাপ মাপার জন্য একটি থার্মোমিটার।

ওয়াক্সিং করা অনেক যন্ত্রনার। ওয়াক্সিং এর চেয়ে অনেক কম যন্ত্রণা সয়ে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম গুলো সরানোর উপায় কেই বলা হয় সুগারিং। আমাদের আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে সুগারিং এর বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। সম্প্রতি রূপচর্চা বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে সুগারিং পদ্ধতির বর্ণনা করা হয়েছে।SUGARING

সুগারিং এর ব্যবহার

ওয়াক্সিং পদ্ধতির মতো সুগার নিয়ে কোনো কাগজের স্ট্রিপ প্রয়োজন হয় না। এই পদ্ধতিতে হাত দিয়েই টেনে লোমসহ মিশ্রণটি তুলে ফেলা যাবে। তাহলে চলুন সুগারিং এর প্রস্তুত প্রণালি জেনে নেই।

সুগারিং এর প্রস্তুত প্রণালী

আপনি যে চিনি নিয়েছেন সেই 2 কাপ চিনির সাথে এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ লেবুর রস এবং সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে হালকা আঁচে গরম করুন। মিশ্রণটি ফুটতে শুরু করলেই নাড়ুন দিয়ে সমানভাবে নাড়তে থাকুন।

কিছুক্ষণ পরেই দেখতে পাবেন মিশ্রণটির রং পরিবর্তন হচ্ছে। বাদামী থেকে সোনালী রং হওয়া মাত্রই চুলার আগুন বন্ধ করে দিন এবং পাত্রটি ঠান্ডা করার জন্য এক স্থানে রেখে দেন। এরপরে দেখবেন একটি 18 মিশ্রণ তৈরি হয়েছে যা অনেকটা মধুর মত তবে মধুর চেয়ে অনেক ঘন এবং আঠালো। আপনার সুগারিং এর মিশ্রণ প্রস্তুত হয়ে গেছে। এবার এটি সাবধানে ব্যবহার করতে হবে।

নেমচিপ হোস্টিং কেমন?

সুগারিং এর ব্যবহার বিধি

মিশ্রণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে আপনার হাত পানিতে হালকা ভিজিয়ে গরম থাকা অবস্থায় মিশ্রণটি হাতে নিয়ে গোল করে বল তৈরি করুন। যদি মিশ্রণটি তখনও অতিরিক্ত ঠান্ডা থাকে তাহলে বারবার পানিতে হাত ভিজিয়ে নিয়ে বড় মিশ্রণটিতে পানি মাকে ঠান্ডা করতে পারেন।

এরপর আপনি যে স্থানের লোম অপসারণ করতে ইচ্ছুক সেখানে এই প্রলেপটি লাগিয়ে দেন। খেয়াল রাখতে হবে লোক যে দিক দিয়ে বের হয় তার উল্টো দিক থেকে মিশ্রণটি প্রয়োগ করতে হবে। কয়েক সেকেন্ড রেখে দিয়ে লোম যেদিকে বারে সে দিকে টেনে মিশ্রণটি তুলে ফেলুন। এর ফলে আপনার লোমের বৃদ্ধি প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে না আবার তোলার সময় লোম ছিড়ে যাবে না। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করি আপনার শরীরের অবাঞ্ছিত লোম গুলো তুলে ফেলতে পারবেন।স্থায়ীভাবে শরীরের লোম দূর করার উপায়

সুগারিং ব্যবহারের স্থান

নারী ও পুরুষ গন শরীরের যেকোন স্থানের লোম এই প্রক্রিয়ায় তুলে ফেলতে পারবেন। তবে পুরুষের গোঁফ দাড়ি তোলার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কার্যকর হবে না কারণ তা অনেক বেশি শক্ত এবং মোটা।

সুগারিং পদ্ধতিতে যন্ত্রণার মাত্রা ওয়াক্সিং-এর তুলনায় অনেক কম তবে সেভ করার মত যন্ত্রণাহীন নয়।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায় ( Online Earning Way)

যেহেতু সুগারিং একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া তাই এটি আপনি যতবার ইচ্ছে ততবার ব্যবহার করতে পারবেন। যখনই আপনার শরীরের অবাঞ্ছিত লোম গুলো বৃদ্ধি পাবে তখন আপনি চিনি লেবু আর পানি নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে আপনার শরীরের অবাঞ্ছিত লোম গুলো তুলে ফেলতে পারবেন।

সুগারিং ব্যবহারের উপকারিতা

সাধারণত ওয়াক্সিং পদ্ধতিতে লোম তোলার ক্ষেত্রে 15 থেকে 20 শতাংশ লোম বা চুল ছিঁড়ে যায়। সুগারিং পদ্ধতি ব্যবহার করলে চুল ছিঁড়ে যাওয়ার মাত্রা অনেকটা কমে আসে। এবং এই পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ত্বক মসৃণ এবং মৃদু সুন্দর হয়ে যাবে। তাই ওয়াশিং এর পরিবর্তে আপনি সুগারিং ব্যবহার করতে পারেন।

মুখের ব্রণ বা কালো দাগ দূর করার সেরা ক্রিম কোনটি জেনে নিন।

আবার ওয়াক্সিং-এর ক্ষেত্রে মিশ্রণ প্রয়োগের সময় তাপ প্রয়োগ করতে হয় যার ফলে ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্যদিকে সুগারিং এর ক্ষেত্রে এই ধরনের ঝামেলা নেই বললেই চলে।

আপনারা যারা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তারা সুগারিং পদ্ধতি ব্যবহার করে সেই লোমগুলো অপসারণ করতে পারবেন। আশা করি এই আলোচনা টি আপনার ভালো লেগেছে। এই রকম আরও তথ্য জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.