আপনি কি কখনো চাঁদে গিয়েছেন বা সমুদ্রের মাঝখানে গিয়ে কখনো সাঁতার কেটেছেন? আমি জানি আপনি এটি কখনো করেননি। আপনার কাছে এখন এসব অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে। তবে আমি যদি বলি এসব আপনারা করতে পারবেন! সত্যি বলতে এখন এগুলো খুব সহজেই করা যায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে যে কোনো কাল্পনিক পরিবেশ তৈরি করেছে পরিবেশে থাক আর অনুভব নিতে পারবেন আপনি। Read in English

একটি উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি আরও সহজ করে বলি। ধরুন আপনি ঢাকার একটি স্কুলের শিক্ষক। আপনি আপনার ছাত্রছাত্রীদের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কোনভাবেই কিছু শিক্ষার্থী সেটি বুঝতে পারছে না। এক্ষেত্রে আপনি সেই ছাত্রছাত্রীদেরকে কম্পিউটার ল্যাবে নিয়ে গেলেন এবং সেখানে সবাইকে মাথায় বিশেষ হেলমেট এবং হাতে বিশেষ ক্লাব পায়ে বিশেষ যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ জুতা পরিয়ে দিলেন। এরপরে ছাত্রছাত্রীরা প্রত্যেকে দেখল তারা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে এসে পড়েছে এবং সামনে বিশাল সমুদ্র এবং সমুদ্র ঢেউ আছড়ে পড়ছে। তারা সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছে এবং সাগরের ঠান্ডা পানির অনুভূতি তাদের হাতে পাচ্ছে। তাড়াশে ক্লাসরুমে হাঁটছে অথচ তাদের মনে হচ্ছে যেন সমুদ্র সৈকতে তারা হেটে বেড়াচ্ছে।

আসলে এই অভিজ্ঞতাই হল ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। যেটি বাস্তব নয় তবে বাস্তব এর মতই সত্য। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরির মাধ্যমে প্রতিটি অসম্ভব কাজকে সম্ভব করে তোলে। যে কেউ ইচ্ছা করলেই তার কল্পনা বা স্বপ্নে ঘর করে যেতে পারে চাঁদের মাটিতে কিংবা প্রশান্ত সাগরের গভীরতম অঞ্চলে কিংবা কোন সমুদ্র সৈকতে। এটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যেখানে কোন ব্যক্তি সেই পরিবেশের সাথে বাস্তবের মতোই শ্রবণ অনুভূতি মানসিক অনুভূতি বাস্তবের মতোই অনুভব করতে পারবে। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? এটি কিভাবে কাজ করে। তো চলুন এসব বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক

স্মার্ট হব কিভাবে? স্মার্ট হয়ে ওঠার সহজ উপায়

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? What is Virtual Reality

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে একটি ইংরেজী শব্দ। এখানে Virtual এবং Reality দুটি শব্দের সমন্বয়ে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গঠিত। Virtual শব্দের অর্থ সামনে এবং Reality শব্দের অর্থ বাস্তবতা। তবে এই বাস্তবতা শুধুমাত্র মানুষ দ্বারা অনুভব করা সম্ভব। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল এমন এক কাল্পনিক জগতে মানুষের মধ্যে বাস্তবের চেতনার উদ্বেগ করে। সহজ কথায় বলতে গেলে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মানে হলো প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্বেগ কারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনা যা আপনাকে ভিন্ন এক জগতে নিয়ে যাবে। এটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখানে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরি করা হয় যা অনেক অসম্ভব ঘটনাগুলো ব্যবহারকারীর সামনে নিয়ে আসে। এটি থ্রিডি এবং 5d প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটারের মাধ্যমে তৈরি করা হয় এমন একটি জগত যার মধ্যে আপনি ফিজিক্যাল এবং মেন্টালি দুই মাধ্যমেই অনুভব করতে পারবেন।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? এটি কিভাবে কাজ করে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির পরিবেশ তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি পরিবেশ তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ নিচে উল্লেখ করা হলো

  • রিয়ালিটি ইঞ্জিন বা সিমুলেটর
  • ইনপুট ও আউটপুট সেন্সর ডিভাইস
  • হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে
  • ডেটল গ্লাভস
  • একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুট
  • অডিও ডিভাইস
  • ব্যবহারকারী

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ধাপ

  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রথম ধাপ হলো কম্পিউটারে তৈরি ত্রিমাত্রিক ছবি দিয়ে ভার্চুয়াল পরিবেশ বানানো
  • দ্বিতীয়তঃ ব্যবহারকারী গতিবিধি অনুসরণ করে ত্রিমাত্রিক ছবি অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে
  • এরপর ডান দিকে তাকালে ডান দিকের ছবি দেখাবে গেমে শত্রু যদি সামনে আসছে তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী হাত নিজের সঙ্গে লড়াই করতে হবে এ নাড়াচাড়া গুলো অনুসরন করার জন্য সেন্সর ব্যবহার করতে হবে

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কিভাবে কাজ করে

অনেকগুলো যন্ত্রের সাহায্যে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কাজ করে এখানে বিশেষ ধরনের চশমা বা হেলমেট পরা হয় যেখানে দুটি চোখে দুটি ভিন্ন দৃশ্য দেখে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি সৃষ্টি করা হয় অনেক সময় একটি স্ক্রিনে ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্য দেখে অনুভূতি সৃষ্টি করা হয়।

এ প্রক্রিয়া গুলো সম্পন্ন করার জন্য মূলত কম্পিউটারের সাহায্যে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে একটি পরিবেশ বা ঘটনার বাস্তবিক ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরি করা হয় তাই বলা হয় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এর মাধ্যমে তৈরি করা একটি কৃত্রিম পরিবেশ উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে বাস্তব পরিবেশ বলে মনে হয়

এবং এই পরিবেশ তৈরীর জন্য শক্তিশালী কম্পিউটার সংবেদনশীল গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয় সাধারণ গ্রাফিক্স আর ভার্চুয়াল গ্রাফিক্স এর মধ্যে তফাৎ হলো এখানে শব্দও স্পর্শের গুরুত্ব দেওয়া হয় ব্যবহারকারীরা যা দেখে এবং স্পর্শ করে বাস্তবের কাছাকাছি বোঝানোর জন্য চশমা এবং হেলমেট ছাড়াও অনেক সময় গ্লাভস,ব্যুট,স্যুট ব্যবহার করা হয়

উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারে গ্রাফিক্স ব্যবহারের মাধ্যমে দূর থেকে পরিচালনা করার প্রক্রিয়াটি সম্পাদিত হয় এছাড়া এর মাধ্যমে বাস্তবিক শব্দ সৃষ্টি করা হয় যাতে মনে হয় শব্দগুলো বিশেষ স্থান থেকে উচ্চারিত হয়

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? এটি কিভাবে কাজ করে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ইতিহাস । History of Virtual Reality

১৮৩১ সালে প্রথম Stereoscope আবিষ্কার করা হয়। এই Stereoscope দিয়ে একটি ইমেজকে প্রজেক্ট করার জন্য টুইন মিরর ব্যবহার করা হয়েছিল। মর্টন হেইলিং ১৯৫৭ সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেন। ১৯৮০ দশকের মাঝামাঝি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল যখন visual program lab (VPL) রিসার্চ এর সম্পাদক গুগল এবং ব্লগ সহ গিয়ার বিকশিত করা শুরু করেছিল। পরে তিনি এটাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হিসেবে অভিহিত করেন। উনার তৈরি মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস যা Sensorama নামে পরিচিত এবং পূর্বকালীন সময় যাকে VR System বলে অভিহিত করা হয়

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রকারভেদ

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত পাঁচ প্রকারের। যা নিচে তুলে ধরা হলো

  • Fully-immersive Virtual Reality
  • Semi-immersive Virtual Reality
  • Non-immersive Virtual Reality
  • Augmented Reality
  • Collaborative VR
টাকার সঙ্গে সুখের সম্পর্ক, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

Fully-immersive Virtual Reality

ভার্চুয়াল জগতের সম্পূর্ণ বাস্তব অভিজ্ঞতা নেওয়ার জন্য Fully-immersive Virtual টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। এতে মনে হবে আপনি সম্পূর্ণ একটি অন্য জগতে আছেন আপনার মনে হবে আপনি শারীরিকভাবে সে ভার্চুয়াল জগতে উপস্থিত আছেন এবং শারীরিকভাবে অনুভব করতে পারবেন। মজার বিষয় হল ভার্চুয়াল জগতে যা যা ঘটবে তার সবটাই সত্য বলে মনে হবে তবে এ ধরনের ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অনেক এক্সপেন্সিভ।

Fully-immersive Virtual Reality
Fully-immersive Virtual Reality

Fully-immersive Virtual Reality প্রযুক্তির মাধ্যমে কাল্পনিক পরিবেশ উপভোগ করার জন্য টেকনোলজিক্যাল হেলমেট গ্লাভস এবং কিছু বডি কানেক্টরস ব্যবহার করা হয়। বডি কানেক্টরগুলো শক্তিশালী কম্পিউটার এর সাথে যুক্ত করা হয়। আপনার শারীরিকভাবে করা প্রত্যেকটি মুভমেন্ট এবং চোখের সাধারণ পিটপিট করাটাও শনাক্ত করে সেগুলো কে ভার্চুয়াল জগতে স্থাপন করা হয় এজন্য আপনি সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল জগতে আছেন বলে মনে করবেন।

Semi-immersive Virtual Reality

এটি এমন এক প্রকারের ভার্চুয়াল রিয়েলিটি যেখানে Non Immersive এবং Fully-immersive Virtual Reality এর মিশ্রণ ঘটে। এটি এমন ধরনের ভার্চুয়াল জগত তৈরি করে যেখানে আপনি একটি কম্পিউটারের স্কিন বা VR বক্স ও হেলমেট ব্যবহার করছেন

Semi-immersive Virtual Reality
Semi-immersive Virtual Reality

এখানে আপনার কোন রকম শারীরিক গতিবিধি ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না এখানে শুধু ভার্চুয়াল এক্সপেরিয়েন্স এর মাধ্যমে ভার্চুয়াল জগতের মজা নিতে পারবেন।

Non-immersive Virtual Reality

এমন কিছু ভার্চুয়াল এক্সপেরিয়েন্স গুলোকে Non-immersive Virtual Reality বলা হয় যেগুলোতে আপনি সফটওয়্যার এর ভেতর থাকা ক্যারেক্টার এবং একটিভিটিস গুলোকে কন্ট্রোল করতে পারবেন তবে এ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ক্ষেত্রে আপনি সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল জগতের সাথে যুক্ত থাকবেন না। যেমন মনে করুন আপনি একটি হাই গ্রাফিক্স বা রিয়ালিস্টিক কম্পিউটার গেম খেলছেন এক্ষেত্রে আপনি একটি গেমের কথা ভাবতে পারেন হতে পারে সেটি কল অফ ডিউটি বাটম রাইডার

Non-immersive Virtual Reality
Non-immersive Virtual Reality

এই গেমের মধ্যে আপনি গেমিং ক্যারেক্টারগুলোকে নিজের মনে করে কন্ট্রোল করতে পারবেন যেগুলো নিজস্ব একটা আলাদা অ্যানিমেশন এবং গঠন রয়েছে এক্ষেত্রে আপনি যদি একটি ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ড এর সাথে যুক্ত আছেন তবে সোজাসুজি ভাবে সেখানে মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু আপনি নন। এখানে প্রত্যেকটি কাজ পরিবেশ এবং বৈশিষ্ট্যগুলো গেমের ভিতরে থাকা ক্যারেক্টারগুলো সাথে ইন্টারএ্যাক্ট করছে কিন্তু আপনার সাথে নয়।

বিভিন্ন গেমিং ডিভাইস যেমন প্লেস্টেশন এক্সবক্স কম্পিউটার গুলো নন ইমার্সিভ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অনুভব প্রদান করে।

সফলতা অর্জনের ১০ টি কথা

Augmented Reality

ধরুন আপনার একটি মোবাইলে নিজের ঘরের ছবি তুললেন এবং সেখানে একটি কার্টুন ক্যারেক্টার বা কোন বস্তু রেখে দিলেন এবার আপনার ফোনের স্ক্রিনে থাকা ঘরের কার্টুন ক্যারেক্টার টি কে আপনি দেখতে পাবেন। তবে সেটি বাস্তবে থাকবে না। আপনি হয়তো বুঝতে পারেননি বিষয়টা। বিষয়টা আরো সহজ করে বলি।

Augmented Reality
Augmented Reality

এটি মূলত ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করে থাকে। মনে করুন আপনি আপনার রুমের জন্য ফারনিচিয়ার কিনতে গেছেন। এখন দোকানি আপনাকে আপনার পছন্দের ফার্নিচারগুলো Augmented Reality মাধ্যমে আপনার রুমে বসিয়ে দিবেন। আপনার কাছে মনে হবে আপনার রুমে ফার্নিচারগুলো সাজান আছেন। এতে করে আপনি কি ধরনের ফার্নিচার নিলে আপনার রুমে ভালো মানাবে তা দেখে তারপরে কিনতে পারেন।

Collaborative VR

এই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অনেক উন্নত মানের এবং আধুনিক। প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা এই ভার্চুয়াল জগতে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকেরা যুক্ত হয়ে একই ভার্চুয়াল পরিবেশে আসতে পারে।

Collaborative VR
Collaborative VR

এ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে লোকদের মধ্যে সহযোগিতা করা। এই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বিভিন্ন কাজ এবং বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয় যেমন ধরুন

  • শিশু শিক্ষায়
  • ডাক্তারদের প্রশিক্ষণ এবং প্র্যাকটিস
  • গেমিং
  • কার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ
  • বিমান চালনার প্রশিক্ষণ
  • সেনাবাহিনীতে যুদ্ধ প্রশিক্ষণ
  • ব্যবসায় বাণিজ্যে
  • মহাশূন্য অভিযানে
  • গেইমস তৈরি
  • নগর উন্নয়নে
  • মিলিটারি ট্রেনিং এবং প্রশিক্ষণ
  • স্পোর্টস
  • শিক্ষা ক্ষেত্রে
  • সেফটি ট্রেনিং
  • মনোরঞ্জনের ক্ষেত্রে
  • জব ট্রেনিং
  • সেলস ট্রেনিং
  • ভার্চুয়াল মিটিং
  • আর্কিটেকচার বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির সুবিধা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির কিছু সুবিধা নিচে উল্লেখ করা হয়

  • শিক্ষা ও ট্রেনিং এর ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে অনেক লাভ হচ্ছে।
  • যেকোন কাল্পনিক জগতে গিয়ে সে পরিবেশের অনুভব নেওয়া সম্ভব।
  • গেমিং এর ক্ষেত্রে অনেক লাভজনক
  • ট্রেনিং ও প্রশিক্ষণের সময় সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকা যায়

ভার্চুয়াল রিয়ালিটি অসুবিধা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অসুবিধা গুলো নিচে দেওয়া হল

  • চড়া দাম এবং জটিলতা বেশি এবং এ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামও খুবই মূল্যবান ও ব্যয়বহুল।
  • চোখের ও শ্রবণশক্তির ক্ষতি হতে পারে।
  • স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
  • কল্পনার জগতে বিচরণ
  • মনুষ্যত্বহীনতা ইত্যাদি।

আমরা আমাদের এই আলোচনার মাধ্যমে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সম্পর্কে সকল খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরেছি। আশাকরি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পেরেছেন। এরকম ইন্টারেস্টিং সকল তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.