Tag: টেকনোলজি

Advantage and Disadvantage of Credit Card

Advantage and Disadvantage of Credit Card: Many of us want to take credit cards and many do not like to take credit cards. Why not everyone likes credit cards and why many people want to take credit cards will be discussed in detail in today’s post. Building credit, getting cash back, or fraud protection are some of the notable benefits of credit cards. You can rest assured that you don’t have to carry cash. However, there are only advantages to using credit cards, not disadvantages; It would be foolish to think so. In this post I will try to tell you in detail about the advantages and disadvantages of credit cards.

Credit Card Advantage

Let us first know about the benefits of credit cards

Create Credit Record

Proper use of credit cards builds credit records. And credit card spending limits can often depend on this credit record. If your credit history is good, then you will get additional benefits in terms of various credit card based services. If you pay your credit card bills regularly and make good transactions, your credit score will increase. As a result, you will be able to enjoy its benefits in case of next card or loan.

Security Against Fraud

Credit card companies take adequate measures to provide security to users’ transactions. If for any reason you suspect that an unauthorized transaction is being made to your card, you can immediately call the credit card provider for assistance. If you can’t find or lose the card again, call the credit card provider and they will block the card and arrange to give you a new card.

No Need to Carry Cash

Using a credit card is often more convenient than using cash. Besides, there is no problem in carrying credit cards as they occupy very little space in the wallet. Today, credit card has become a standard payment method in almost all countries of the world. Credit cards can easily be carried in the pocket while going somewhere. If you lose this card again, you can get a new card issued in a short time.


You can earn rewards by using your credit card in the form of cash back and points. There are also many credit card providers that offer sign-up bonuses if you meet certain goals within a certain period of time.

Accounting for Expenses

All transactions made using credit cards are recorded by the issuing institution and can be easily tracked. All your transaction information, ie merchant name, amount spent, date, etc. is saved. With this information at your fingertips, you can easily keep track of expenses.

Buying goods in installments and not spending immediately
You can buy products in installments through credit card. Larger payments can easily be split into smaller installments over a longer period of time. On the other hand, since the credit card bill does not have to be paid immediately, it is quite easy to arrange money for urgent needs.

Disadvantages of Credit Cards

Credit cards aren’t just about rewards or sign-up bonuses. It is a financial tool that if not used seriously will incur unnecessary charges and fees. So it is very important to know the disadvantages of credit cards. Let’s know all about the disadvantages of credit cards.

Overspending Mentality

Using credit cards can lead to overspending. Since the main purpose of credit cards is to provide spending facilities beyond your savings, your unaccounted spending can lead to overspending habits, which in many cases can wreak havoc on your life.

Fees and Interest

Credit card fees and interest are two things that can add up without the user’s knowledge. Interest in particular can escalate to such a degree that it goes beyond the credit card holder’s control.

In addition to interest, various credit card issuers charge fees for late payments, balance transfers, cash advances, foreign transactions, etc. Some issuers even charge an annual fee just for using the card.

The best way to avoid these types of interest and other fee-related issues is to pay off the balance (at least the minimum payment) every month. If that is not possible, it is better to pay the balance as much as possible. But in this case, your cost will increase and not decrease.

Overspending on credit cards puts many people in debt. If you don’t keep track of your regular expenses, you may run out of money in a short period of time and accumulate excess wealth. So it is better to spend only the amount that can be returned. Remember, with a credit card, you are using borrowed money. So if you don’t use credit cards carefully, it won’t take long to face the problem.

ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা এবং অসুবিধা সম্পর্কে জানুন

ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা এবং অসুবিধা: আমরা অনেকেই ক্রেডিট কার্ড নিতে চাই আবার অনেকেই ক্রেডিট কার্ড নিতে পছন্দ করে না। কেন সবাই ক্রেডিট কার্ড পছন্দ করে না আবার অনেকেই কেন ক্রেডিট কার্ড নিতে চায় এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব আজকের পোস্টে। ক্রেডিট গড়ে তোলা, ক্যাশ ব্যাক পাওয়া, বা প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া ইত্যাদি ক্রেডিট কার্ডের উল্লেখযোগ্য কিছু সুবিধা। আবার ক্যাশ বহন করতে হয়না বলে বেশ নিশ্চিন্তে থাকা যায়। তবে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে শুধু সুবিধা রয়েছে, কোনো অসুবিধা নেই; এমন ভাবলে বোকামি হবে। এই পোস্টে ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করব আপনাদের।

ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা

চলুন প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক ক্রেডিট কার্ডের সুবিধাগুলো সম্পর্কে

ক্রেডিট রেকর্ড তৈরী

ক্রেডিট কার্ড সঠিকভাবে ব্যবহারে ক্রেডিট রেকর্ড তৈরী হয়। আর ক্রেডিট কার্ডের খরচের লিমিট এই ক্রেডিট রেকর্ডের উপর অনেক সময় নির্ভর করতে পারে। আপনার ক্রেডিট হিস্ট্রি যদি ভালো হয়ে থাকে, তবে ক্রেডিট কার্ড ভিত্তিক বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা আপনি পাবেন। আপনি যদি নিয়মিত ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করে থাকেন এবং ভাল পরিমাণ লেনদেন করেন তাহলে আপনার ক্রেডিট স্কোর বৃদ্ধি পাবে। ফলে আপনি পরবর্তী কার্ড বা লোনের ক্ষেত্রে এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

প্রতারণা থেকে নিরাপত্তা

ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলো ব্যবহারকারীদের লেনদেনকে নিরাপত্তা প্রদান করতে যথেষ্ট ব্যবস্থা করে। কোনো কারণে যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো লেনদেন আপনার কার্ড থেকে হচ্ছে বলে মনে হয়, তবে তৎক্ষণাৎ ক্রেডিট কার্ড প্রোভাইডারকে ফোন করে সাহায্য চাইতে পারবেন। আবার কার্ড খুঁজে না পেলে বা হারিয়ে ফেললে ক্রেডিট কার্ড প্রোভাইডারকে কল করে জানালে উক্ত কার্ড ব্লক করে আপনাকে নতুন কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিবে।

ক্যাশ বহন করতে হয়না

ক্যাশ ব্যবহার করা থেকে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা অনেকক্ষেত্রেই বেশ সুবিধাজনক। এছাড়া ওয়ালেটে খুব কম জায়গা দখল করে বলে ক্রেডিট কার্ড বহন করতে কোনো সমস্যা হয়না। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সকল দেশে ক্রেডিট কার্ড একটি আদর্শ পেমেন্ট মেথড হিসেবে পরিণত হয়েছে। কোথাও যাওয়ার সময় বেশ সহজে ক্রেডিট কার্ড পকেটে বহন করা যায়। আবার এই কার্ড হারিয়ে ফেললে সেক্ষেত্রে নতুন কার্ড ইস্যু করে নিতে পারবেন অল্প সময়ের মধ্যে।


ক্যাশ ব্যাক ও পয়েন্টস আকারে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে আপনি রিওয়ার্ডস পেতে পারেন। এছাড়া অনেক ক্রেডিট কার্ড প্রোভাইডার রয়েছে যারা সাইন আপ বোনাসও প্রদান করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণ করতে পারলে।

খরচের হিসাব রাখা

ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে করা সকল লেনদেন রেকর্ড করে থাকে ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান এবং খুব সহজেই ট্র্যাক করা যায়। আপনার লেনদেনের সকল তথ্য, অর্থাৎ মার্চেন্টের নাম, খরচের পরিমাণ, তারিখ, ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এইসব তথ্য হাতের নাগালে থাকার ফলে আপনি খুব সহজেই খরচের হিসাব রাখতে পারবেন।

কিস্তিতে পণ্য কেনা এবং তাৎক্ষণিক খরচ না হওয়া

ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে আপনি কিস্তিতে পণ্য কিনতে পারবেন। বড় আকারের পেমেন্ট সহজেই দীর্ঘমেয়াদি ছোট ছোট কিস্তিতে বিভক্ত করে প্রদান করা সম্ভব। অপরদিকে ক্রেডিট কার্ডের বিল তাৎক্ষণিক দিতে হয়না বলে জরুরি প্রয়োজনে অর্থের ব্যবস্থা করা বেশ সহজ হয়।

ক্রেডিট কার্ডের অসুবিধা

ক্রেডিট কার্ড মানেই শুধু রিওয়ার্ড বা সাইন-আপ বোনাস এর সমাহার তা কিন্তু নয়। এটি একটি ফিনান্সিয়াল টুল যা গুরুত্ব সহকারে ব্যবহার না করলে অযথা ঝণ ও ফি দিতে হবে। তাই ক্রেডিট কার্ডের অসুবিধা জেনে রাখা খুব জরুরি। চলুন ক্রেডিট কার্ডের অসুবিধা সম্পর্কে সকল তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

অতিরিক্ত খরচের মানসিকতা

ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনার অতিরিক্ত খরচের মানসিকতা সৃষ্টি হতে পারে। যেহেতু ক্রেডিট কার্ডের মূল লক্ষ্য আপনার জমানো টাকার বাইরে খরচের সুবিধা প্রদান করা, সুতরাং আপনি হিসাব করে খরচ না করার ফলে বাড়তি খরচের অভ্যাস তৈরী হতে পারে, যেটা অনেক ক্ষেত্রেই আপনার জীবনে ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

ফি ও ইন্টারেস্ট

ক্রেডিট কার্ডের ফি ও ইন্টারেস্ট এমন দুইটি বিষয় যা ব্যবহারকারীর অজান্তেই বাড়তে পারে। বিশেষ করে ইন্টারেস্ট বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে চলে যেতে পারে যে তা ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

ইন্টারেস্ট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রেডিট কার্ড ইস্যুকারী দেরিতে পেমেন্ট, ব্যালেন্স ট্রান্সফার, ক্যাশ এডভান্স, ফরেইন ট্রানজেকশন, ইত্যাদি বিষয়ে ফি চার্জ করে থাকে। কিছু ইস্যুকারী তো এমনকি শুধুমাত্র কার্ড ব্যবহারের জন্য বার্ষিক ফি চার্জ করে।

এই ধরণের ইন্টারেস্ট এবং অন্যান্য ধরণের ফি সম্পর্কিত সমস্যা থেকে বাঁচার সেরা উপায় হলো বাকি টাকা (অন্তত মিনিমাম পেমেন্ট) প্রতি মাসে পরিশোধ করা। তা সম্ভব না হলে, যতটুক সম্ভব, বাকি টাকা পেমেন্ট করে দেওয়ায় উত্তম। তবে এক্ষেত্রে আপনার খরচ বাড়বে ছাড়া কমবেনা।


ক্রেডিট কার্ডে অতিরিক্ত খরচের ফলে ঝণের কবলে পড়তে হয় অনেককে। নিয়মিত খরচের হিসাব না রাখতে পারলে অল্প সময়ের মধ্যে অর্থের স্বল্পতায় ভোগার পাশাপাশি অতিরিক্ত ঝণ জমে যেতে পারে। সুতরাং যে পরিমাণ অর্থ ফেরত দেওয়া সম্ভব, শুধুমাত্র সে পরিমাণ অর্থ খরচ করাই উত্তম। মনে রাখতে হবে, ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে আপনি কিন্তু ধার করা অর্থ ব্যবহার করছেন। তাই হিসাব রেখে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার না করলে ঝণের মুখোমুখি হতে বেশি সময় লাগবেনা।

ক্রেডিট স্কোরে নেতিবাচক প্রভাব

ক্রেডিট কার্ড ঠিকমত ব্যবহার করতে না জানলে এটি আপনার ক্রেডিট স্কোরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আর ক্রেডিট স্কোর কমলে উল্লেখিত আলাদা সুবিধাসমূহ, যেমনঃ অটো লোন, কার লোন, ইত্যাদি নাও পেতে পারেন।
ঠিক সময়ে বিল পে না করা, একদমই বিল পে না করা বা উপলব্ধ ক্রেডিট লিমিটের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে ক্রেডিট স্কোরে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ক্রেডিট কার্ডের স্কোর ঠিক রাখতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সঠিক নিয়মগুলো অনুসরণ করা উচিত।

জীবনের সকল বিষয়ের মত ক্রেডিট কার্ডের ও সুবিধা অসুবিধা রয়েছে। তবে আপনি যদি এই প্লাস্টিকের কার্ড সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না জানেন, তবে বেশ সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই ভালোভাবে জেনে শুনে ব্যবহার করবেন।

মোবাইলের ব্যাটারি ও চার্জ নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা গুলো জেনে নিন

মোবাইলের ব্যাটারি ও চার্জ নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা: সারারাত ফোন চার্জে দিয়ে রাখা কি অনুচিত? স্মার্টফোন পুনরায় চার্জ দেওয়ার জন্য আপনার কি সম্পূর্ণ চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত? পাওয়ার সেভিং মোড কখন ব্যবহার করবেন? মোবাইল চার্জ দেওয়ার সময় কি ফোন ব্যবহার করা উচিত? এরকম অনেকগুলো বিষয়ে বিভিন্ন ভুল ধারণা রয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে। Read in English

আজ আমরা এমনই ১০টি ভুল ধারণা এবং সেগুলোর সঠিক তথ্য এই পোষ্টের মাধ্যমে আলোচনা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ নিয়ে প্রচলিত ১০টি ভুল ধারণা।

সারারাত ফোন চার্জে লাগিয়ে রাখা কি অনুচিত?

ভুল ধারণা: আমাদের মাঝে অনেকেই মনে করেন সারারাত ফোন চার্জে লাগিয়ে রাখলে ফোন নষ্ট হয়ে যায় বা ফোনের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায়।

ব্যাটারি ভালো রাখার উপায়

সঠিক তথ্য: অনেকেই দিনে ফোন চার্জে দেওয়ার সময় পান না। তারা রাতে ঘুমানোর আগে ফোনটি চার্জে রেখে দিতে পছন্দ করেন। সাধারণত এতে ফোনের কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

নাসার বিজ্ঞানীদের অর্থের যোগান কোথা থেকে আসে?

মোবাইল ফোন স্মার্ট প্রযুক্তি আপনার ফোনের সম্পূর্ণ চার্জ হওয়ার পর এর ব্যাটারি তে আর চার্জ দেওয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেয়। যদি চার্জ কখন একটু পড়ে যায় তাহলে ফোন সেই চার্জ টুকু চার্জার থেকে আবার পূরণ করে নেই।

মোবাইলের ব্যাটারি ও চার্জ নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা গুলো জেনে নিন

আরেকটা কথা, ফোনে যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে সেটি চার্জ দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা না রাখলেও কয়েক মিনিটের সেই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য ঘুমানোর সময় বিছানায় ফোন নিয়ে চার্জে না দেওয়াই ভালো। তাহলে ফোনে আগুন লাগা বা এজাতীয় দুর্ঘটনা থেকে অন্তত নিরাপদে থাকতে পারবেন।

আপনার ফোনের ক্যামেরা করে তুলুন DSLR

ফোন সব সময় পাওয়ার সেভিং বা লো পাওয়ার মধ্যে ব্যবহার করা ভালো নাকি খারাপ?

ভুল ধারণা: অনেকে মনে করেন ফোন পাওয়ার সেভিং বা লো পাওয়ার মুডে ব্যবহার করা ভালো

ই-সিম কি? কিভাবে কাজ করে, এর সুবিধা এবং অসুবিধা গুলি কি কি।


সঠিক তথ্য: পাওয়ার সেভিং ভালো পাওয়ার মোড ব্যবহার করলে আপনার ফোনের সফটওয়্যার এর কোনো ক্ষতি করবে না কিন্তু এই ফিচার চালু রাখলে আপনি আপনার ফোনের সম্পূর্ণ সুবিধা পাবেন না। ফোনগুলো মূলত আপনাকে সর্বোত্তম অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যখন আপনি ফোনের ব্যাটারি সেভিং মোড চালু করেন তখন ফোনের বেশিভাগ ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ হয়ে যায়। ডিসপ্লে আলো কমে যায় যাক না দেখতে সমস্যা সৃষ্টি করে। ফোনের সাউন্ড ততটা জোরালো থাকে না।

যতটা আপনি হয়তো পছন্দ করেন নোটিফিকেশন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং আপনি তাৎক্ষণিক তথ্য পাবেন না তাই ব্যাটারি পাওয়ার সেভিং মোড শুধুমাত্র তখনই চালু করা উচিত। যখন ফোনের চার্জ একদম কমে যায় এবং আপনি শীঘ্রই ফোনে চার্জ দিতে পারছেন না তখন।

পাবলিক চার্জিং পয়েন্ট এ ফোন চার্জ দেওয়া কি ক্ষতিকর?

ভুল ধারণা: পাবলিক চার্জিং পয়েন্ট ফোন চার্জ দেওয়ার ক্ষতির কিছু নেই।

সঠিক তথ্য: পাবলিক চার্জিং পোর্ট ব্যবহার আপনার স্মার্টফোনে থাকা তথ্যকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে যে কার্ড আপনি রেস্টুরেন্ট বা এয়ারপোর্টের পাবলিক চার্জিং পয়েন্ট দেখে থাকেন সেগুলো তথ্য আদান-প্রদানের সমর্থ।  এগুলোতে ফোন কানেক্ট করলে হ্যাকাররা আপনার ফোনে থাকা বিভিন্ন কন্টেক্সট ছবি প্রভৃতি নিয়ে নিতে পারে। যদি আপনার প্রায়ই বাইরে থাকা অবস্থায় ফোন চার্জ দিতে হয়। তবে পোর্টেবল চার্জার পাওয়ার ব্যাংক সাথে রাখা আপনার জন্য ভালো হবে।

মানব শরীরে মাইক্রোচিপ বসানো ভালো হবে না খারাপ হবে?

নতুন ফোন/ ফোনের ব্যাটারি ব্যবহারের পূর্বে ফোনকে টানা ৮ ঘন্টা চার্জ দিতে হয় কি?

ভুল ধারণা: আমরা অনেকেই মনে করি নতুন ফোন বা ফোনের ব্যাটারি ব্যবহারের পূর্বে টানা ৮ ঘন্টা চার্জ দিতে হয়।

আপনার ফোন এর জন্য গুরত্ব পূর্ণ অ্যাপ 

সঠিক তথ্য: আপনার ফোনে ইতিমধ্যেই কিছু চার্জ দেয়া আছে এবং শুরুতে টানা ৮ ঘন্টা চার্জ দেওয়ার ধারণাটি লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তবে প্রথমবার ব্যবহারের আগে ফোনকে ফুল চার্জ করে নেওয়া ভালো তাতে এটি সেটাপ করার জন্য আপনার মাঝপথে চার্জে দেওয়ার দরকার হবে না।

ফোনের চার্জ সম্পূর্ণ শেষ না হলে ফোন চার্জে দেওয়া কি উচিত?

ভুল ধারণা: অনেকে মনে করেন ফোনের চার্জ সম্পন্ন শেষ না হলে ফোন চার্জে দেওয়া উচিত নয়


সঠিক তথ্য: আসলে আপনার উচিত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির চার্জ একদম শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই তা পুনরায় চার্জে দেওয়া। এ ধরনের ব্যাটারি তাদের ক্ষমতা সম্পর্কে জ্ঞাত থাকেনা। এবং যখন চার্জ দেওয়া হয় তখন পূর্বের মত চার্জ হয় না।- একথা বলেছেন স্যামসাং এ কর্মরত একজন ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার সের্জিও ফ্লোরেস।

বড় কিছু নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পেরেছে কিন্তু এরপরও অনেক মডেলের ফোনে এই সমস্যা আছে।

একটি এপ্লিকেশন ব্যাটারির বেশি চার্জ খরচ করতে পারে কি?

ভুল ধারণা: একটি এপ্লিকেশন ব্যাটারির বেশি চার্জ খরচ করতে পারে না এমনটা মনে করে অনেকে

স্মার্টফোনের বিকল্প হিসেবে নতুন প্রযুক্তির ভবিষ্যৎবাণী করলেন বিল গেটস

সঠিক তথ্য: একটি অ্যাপো যেমন ফেসবুকে আপনার স্মার্টফোনের বেশিরভাগ শক্তি ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট এমনকি আপনি ব্যবহার না করলেও এসবে ব্যাকগ্রাউন্ডে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারে বা করে থাকে। কিছু ব্যবহারকারীর মতে ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশন আনইন্সটল এর ফলে ফোনের অন্য অ্যাপ আরো 15 শতাংশ দ্রুত কাজ করে ও ফোনের চার্জ 20 শতাংশ বেশি সময় থাকে।

ফোন বন্ধ করার প্রয়োজন আছে কি?

ভুল ধারণা: এই ধারণাটির যদিওবা সকলে বিশ্বাস করে না বলতে গেলে খুব কম মানুষ বিশ্বাস করেন যে ফোন বন্ধ করার প্রয়োজন নেই

সঠিক তথ্য: অনেক ব্যবহারকারী কাজের পরে অ্যাপ্লিকেশন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে নেয় এতে অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ চালিয়ে যেতে পারে যদিও সবার অনেক চার্জ নষ্ট করতে পারে না কিন্তু যত চলতে থাকবে ততই ব্যাটারি লাইফ কমতে থাকবে সপ্তাহে অন্তত একবার আপনি ফোনটি বন্ধ করে আবার চালু করুন এটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয়ের জন্যই ভালো।

চার্জ দেওয়া অবস্থায় ফোন স্পর্শ করা উচিত নাকি উচিত নয়?

ভুল ধারণা: আমাদের মাঝে প্রচলিত ভুল ধারনা ঠিক হলো চার্জে দেওয়া অবস্থায় ফোন স্পর্শ করা উচিত নয়

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? এটি কিভাবে কাজ করে।


সঠিক তথ্য: আপনি নিশ্চিন্তে চার্জ দেওয়ার সময় ফোন ব্যবহার করতে পারেন স্যামসাং ইঞ্জিনিয়ার ফ্লোরেস এর ভাষ্যমতে। যদিও আপনি যখন আপনার ফোন চার্জে দিচ্ছেন এটি সবসময়ের মত ব্যাটারির ক্ষমতা ব্যবহার করেনা (চার্জ থেকে আসা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে) তবে ফলাফল এবং সার্কিট এর কার্যক্ষমতা সবসময় একই হয়। সুতরাং ফোন চার্জে দিয়ে ব্যবহার করলে কোন সমস্যা হবে না।

অবশ্য চার্জের সময় চালু থাকা বিভিন্ন অ্যাপের ঘাটতি কাজ হলেই স্মার্ট ফোনের চার্জ হতে দেরি হয় এবং ফোন দ্রুত গরম হয়। সুতরাং আপনি যদি দ্রুত চার্জ ফুল করতে চান তাহলে চার্জে লাগিয়ে ফোন ব্যবহার করবেন না।

যে কোন চার্জার দিয়ে ফোন চার্জ করা উচিত নাকি উচিত নয়?

ভুল ধারণা: চার্জিং পোর্ট মিলে গেলেই যে কোন চার্জার ব্যবহার করা যায় এমনটা ভাবে অনেকে।

সঠিক তথ্য: অনেকে শুধুমাত্র ফোনের চার্জিং পোর্ট মিলে গেলে যে কোন চার্জার ফোন চার্জ করেন কিন্তু এসব চার্জার ফোনের ক্ষতি করতে পারে। সকল চার্জারের ভোল্টেজ সামঞ্জস্যতা সঠিক মন থাকেনা বিদ্যুৎপ্রবাহ কমবেশি হতে পারে। এতে ফোনের ব্যাটারি এমনকি সার্কিট বোর্ড চিপ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তাই আপনার উচিত ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সুপারিশকৃত চার্জার ব্যবহার করা।

মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার সঠিক নিয়ম জানুন

একটানা ওয়াইফাই চালু রাখলে ব্যাটারীর ক্ষতি হবে কি?

ভুল ধারণা: একটানা ওয়াইফাই চালু রাখলে ব্যাটারি ক্ষতি হতে পারে।

সঠিক তথ্য: স্মার্ট ফোনের ওয়াইফাই চালু রাখলে এটি আশেপাশের ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে খুঁজতে থাকে এভাবে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক অনুসন্ধানে নিশ্চয়ই চার্জ ব্যবহৃত হয় তবে লক্ষ্য করার মতো অতটাও না। আপনার ফোন যখন ওয়াইফাই সিগন্যাল অনুসন্ধান করে তখন এটি নিজের সিগন্যাল ব্যবহার করে জানি যে এখানে ওয়াইফাই আছে কিনা। কিন্তু এর মানে এই না যে আপনাকে সব সময় ওয়াইফাই বন্ধ করে চলতে হবে। তাতে চার্জ দেয়ার সুযোগ কম থাকলেও ব্যাটারি খরচ কম করতে চাইলে অবশ্যই বন্ধ রাখতে পারেন।

আমাদের আজ থেকে পুষ্টি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে আশাকরি এই ভুল ধারণা গুলি থেকে বের হয়ে সঠিক তথ্য জানতে পেরেছেন। এমন সব তথ্য জানতে আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন।

ভালো মানের ডোমেইন হোস্টিং এর নাম

ভালো মানের ডোমেইন হোস্টিং এর নাম : আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট তৈরীর কথা ভাবেন। এবং আপনি যদি মনে করেন এই ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রোফিট নিবেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ভালো ডোমেইন হোস্টিং কিনে নিতে হবে। ভালো মানের ডোমেইনহোস্টিং ছাড়া আপনার ওয়েবসাইট থেকে আপনি ভাল প্রফিট আনতে পারবেন না। ভালো মানের ডোমেইন-হোস্টিং এর নাম। বর্তমানে ডোমেইন হোস্টিং সেবা দেয় এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে সারা বিশ্বে। Read in English

কিন্তু সব প্রতিষ্টানই ভালো সার্ভিস দেয় না। ভালো সার্ভিস দেয় না এমন কোম্পানি থেকে ডোমেইন হোস্টিং সার্ভিস নিলে পরবর্তিতে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এজন্য হোস্টিং সার্ভিস গ্রহন করার আগে সার্ভিস প্রভাইডকারী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালো ভাবে খোঁজ খবর নিয়ে সার্ভিস গ্রহন করা উচিত। কারণ ওয়েবসাইট তৈরি করার পর আমরা যখন ঐ ওয়েবসাইট থেকে প্রফিট করা শুরু করবো তখন যদি মাঝখান থেকে ঐ সার্ভিস প্রভাইডকারী প্রতিষ্ঠান হারিয়ে যায় তাহলে সবচে বড় ক্ষতিটা হবে ওয়েবসাইট এর মালিকের। সুতরাং অবশ্যই ওয়েবসাইট তৈরীর ক্ষেত্রে ভালোমানের ডোমেইনহোষ্টিং প্রয়োজন।

তাই আমি এখানে বিশ্বের নামকরা, জনপ্রিয় কয়েকটি ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানির নাম উল্লেখ করছি। যেগুলো বিশ্বের সবচে ট্রাস্টেবল কোম্পানি। আপনি এদের থেকে নিশ্চন্তে সার্ভিস নিতে পারেন।

ডোমেইন কি? ডোমেইন এর কাজ কি?

গোড্যাড্যী ,(GODADDY)

ডোমেইন এবং হোস্টিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে প্রথমেই যে কোম্পানিটি রয়েছে সেটা হলো GODADDY. এই প্রতিষ্ঠানটি প্রথম যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৭ সালে। এই কোম্পানি থেকে বছরে প্রায় ১৭ মিলিয়ন মানুষ সেবা নিয়ে থাকে। এই কোম্পানি থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন, ডোমেইন ট্রান্সফার ইত্যাদি সেবা নিতে পারবেন। আরো বিস্তারিত জানার জন্য এখানে ক্লিক করে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। ভালো মানের ডোমেইন-হোস্টিং


আপনি যদি ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস থেকে কম দামে ডোমেইন হোস্টিং সেবা নিতে চান তাহলে নেইমচিপ ডট কম কে বেছে নিতে পারেন। এই কোম্পানিটি ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বর্তমানে এদের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩মিলিয়ন +নেইমচিপের বিভিন্ন সেবার মধ্যে রয়েছে – ডোমেইন এবং হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন, ডোমেইন ট্রান্সফার, মার্কেটপ্লেসে ডোমেইন বিক্রি করা। এছাড়াও এখান থেকে লোগো বিজনেস কার্ড ডিজাইন করে নিতে পারবেন।

ভালো মানের ডোমেইন হোস্টিং

এছাড়াও এখান থেকে বিভিন্ন ধরণের সিকিউরিটি সার্ভিস নিতে পারেন। যেমন – SSL Cirtificate, Premium DNS, WhoisGured, Public DNS এবং DPN. আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করে নেইমচিপের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। নেইমচিপ ভালো মানের ডোমেইন-হোস্টিং কম্পানি গুলোর মধ্যে একটি

Dhaka University Admission Circular 2022


জনপ্রিয় ডোমেইনহোস্টিং কোম্পানিদের তালিকায় আরেকটি জনপ্রিয় কোম্পানি হল-BlueHost। এই কোম্পানিটি চালু হয় প্রায় বিশ বছর আগে ২০০৩ সালে। বর্তমানে এখানে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দুই মিলিয়নেরও বেশি। ২০১০ সালের দিকে BlueHost এর কাস্টমার সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ ২৫ হাজার। বর্তমানের জনপ্রিয় ওয়াডপ্রেস BlueHost কোম্পানিকে রিকুমেন্ট করে থাকে। BlueHost কোম্পানিটি মূলত হোষ্টিং সার্ভিস প্রোভাইড করে থাকে। এছাড়াও এখানে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ,শেয়ার্ড হোষ্টিং, VPS , ডেডিকেটেড এবং রিসেলার হোষ্টিং পাবেন। আপনি চাইলে এখানে ডোমেইনও রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

ভালো মানের ডোমেইন হোস্টিং

BlueHost কোম্পানি থেকে আপনি ২৪ ঘন্টা লাইভ চ্যাট এবং ইমেইল টিকেটিং অথবা ফোন কলের মাধ্যমে সাহায্য নিতে পারবেন। এরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ অফার করে থাকে। এখানে আপনি বেসিক প্যাকেজে একটি ওয়েবসাইট এবং প্লাস প্যাকেজে আনলিমিটেড ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারবেন। BlueHost ভালো মানের ডোমেইন-হোস্টিং কম্পানি গুলোর মধ্যে একটি। আরো বিস্তারিত জানার জন্য এখানে ক্লিক করে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন।

গুগল একাউন্ট এবং জিমেইল একাউন্ট এর মধ্যে পার্থক্য

উপরোক্ত প্রতিষ্ঠান গুলো সবই ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি। এ কারণে পেমেন্ট সিস্টেমও ইন্টান্যাশনালি মানে ডলারে মাধ্যমে সেবা নিতে হয় এখান থেকে। আপনার যদি ডলার সাপোর্টেড কার্ড না থাকে তাহলে বাংলাদেশি কোন কোম্পানি থেকেও সার্ভিস নিতে পারেন। তাহলে বিকাশ বা যেকোন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমেও সেবা নিতে পারবেন। বাংলাদেশে ভালো সেবাদান করেন এমন কিছু কোম্পানি নিচে উল্লেখ করা হলো

Dhaka Web Host

ভালো মানের ডোমেইন হোস্টিং

বাংলাদেশের সবচাইতে ভালো ডোমেইন এবং হোস্টিং সার্ভিস প্রদান করে থাকে Dhaka Web Host . যদিও এটি অপেক্ষাকৃত নতুন কোম্পানি, তবুও এরা খুব ভাল সার্ভিস প্রদান করে। এবং দিন দিন এদের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে। সাধারণত, ঢাকা ওয়েব হোস্ট শেয়ার্ড, রিসেলার, ভিপিএস, ডেডিকেটেড সার্ভার এবং হোস্টিংয়ের প্যাকেজ অফার করে থাকে। ঢাকা ওয়েব হোস্ট এর একটি বিশেষ সুবিধা হলো যে বাংলাদেশী কারেন্সীর পাশাপাশি পেপালের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা যায়।

এই কোম্পানি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। Dhaka Web Host ভালো মানের ডোমেইন-হোস্টিং কম্পানি গুলোর মধ্যে একটি

MIST Result 2022

Alpha Net

ভালো মানের ডোমেইন হোস্টিং

আলফা নেট আমেরিকা ভিত্তিক বাংলাদেশী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি। দীর্ঘ ২০ বছর বাংলাদেশে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ও হোস্টিং সেবা প্রদান করে আসছে আলফা নেট। সুলভ মূল্যে সর্বাধুনিক লিনাক্স এবং উইন্ডোজ ওয়েব হোস্টিং আমেরিকা অথবা বাংলাদেশের ডাটাসেন্টারে আলফা নেটের নিজস্ব সার্ভারে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে, এছাড়াও আলফা নেট দিচ্ছে লিনাক্স এবং উইন্ডোস প্লাটফর্মে অত্যাধুনিক ভার্চুয়াল এবং ডেডিকেটেড সার্ভার এর সুবিধা।

এখান থেকে আপনি এই কোম্পানি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

পুতুল হোস্ট ( PUTUL HOST ) – কম দামে ডোমেইন হোস্টিং

আপনি যদি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে ডোমেইন হোস্টিং কেনার কথা চিন্তা করে থাকেন তাহলে পুতুল (putul host) থেকে নিশ্চিন্তে নিতে পারেন। এখানে খুব কম মূল্যে খুব ভাল মানের সার্ভিস পাবেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে এনাদের সার্ভিস ব্যবহার করি। এদের সবচে বেশি যে ব্যাপারটা ভাল লাগে তাহলো কাস্টমার সাপোর্ট। লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা সাপোর্ট দিয়ে থাকে। এখান থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং পার্সেস করা খুবই সহজ। পুতুল হোস্ট এর ওয়েবসাইট ভিজিট করা জন্য এখানে ক্লিক করুন।

ফেসবুকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে চান তাহলে উপরে দেওয়া সাইটগুলো থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারেন। এই সাইটগুলোর তন্ত্র বিশ্বস্ত এবং ভালো মানের ডোমেইনহোষ্টিং প্রদান করে থাকে। সুতরাং আপনি নিশ্চিন্তে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

ডোমেইন হোস্টিং কিভাবে কিনতে হয়

ডোমেইন হোস্টিং কিভাবে কিনতে হয় : আমরা যখনই একটি ওয়েবসাইট তৈরীর কথা চিন্তা করতে যাই। আমাদের মাথায় প্রথমেই যে জিনিসটি আসে সেটি হচ্ছে ডোমেইন এবং হোস্টিং। একটা সাইট তৈরীর ক্ষেত্রে ডোমেইন এবং হোস্টিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। আপনি যদি মনে করেন আপনি একটি ভালো ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং এ থেকে আপনি প্রফিট নিবেন তবে অবশ্যই আপনাকে ভালো মানের ডোমেইন এবং হোস্টিং নিতে হবে। এতক্ষণ আমি ডোমেইন এবং হোস্টিং নিয়ে কথা বলছিলাম। কিন্তু আমাদের মাঝে অনেকেই জানি না আসলে ডোমেইন এবং হোস্টিং কি। ইতিমধ্যে আমরা ডোমেইন এবং হোস্টিং নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেছি। পোস্টের মধ্যে লিংক দেওয়া আছে ঘুরে আসতে পারেন। তবে এই পোস্টে ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত একটু ধারণা দেই। Read in English

ডোমেইন কি?

প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস থাকে। যে আইপি অ্যাড্রেস এর মাধ্যমে আমরা ওই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারি। যেমন । কিন্তু এভাবে মনে রাখা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এই সমস্যা সমাধানের জন্য ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে একটি ওয়েবসাইট এর নাম-ঠিকানা পরিচয় সম্পূর্ণ টি হচ্ছে ডোমেইন। ডোমেইন হোস্টিং কিভাবে কিনতে হয়

নেমচিপ হোস্টিং কেমন?

হোস্টিং কি

হোস্টিং হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য জায়গা। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যে জায়গায় রাখবেন সেটি হচ্ছে হোস্টিং।
আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর অডিও ভিডিও ফাইল বিভিন্ন ডকুমেন্ট রাখার জন্য যে জায়গাটুকু ব্যবহার করবেন সেটি হচ্ছে হোস্টিং। এখন আপনার ওয়েবসাইট সব সময় সচল রাখতে হলে এমন একটি হোস্টিং দরকার যা সবসময় অর্থাৎ 24 ঘন্টা এবং 365 দিন চালু থাকবে। এই সুবিধাটি দিয়ে থাকে বিভিন্ন হোস্টিং কোম্পানি গুলো। মাসিক অথবা বাৎসরিক একটি পেমেন্ট এর মাধ্যমে আপনি এসব কোম্পানি থেকে হোস্টিং কিনতে পারবেন। ডোমেইন হোস্টিং কিভাবে কিনতে হয়

ডোমেইন হোস্টিং কিভাবে কিনতে হয়

ডোমেইন হোস্টিং কেনার উপায়

সারাবিশ্বে অসংখ্য কোম্পানি হয়েছে যারা ডোমেইন এবং হোস্টিং বিক্রি করে থাকে। এসব কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আপনি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারবেন। তবে ভালো মানের ডোমেইন এবং হোস্টিং নিম্নোক্ত কোম্পানিগুলো থেকে নিতে পারেন।

  • Dhaka Web Host
  • Alpha Net

এছাড়াও আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে যা আমরা এই পোষ্টের মাধ্যমে আলোচনা করেছি।

ভালো মানের ডোমাইন সাইট

কিভাবে একটি ভাল মানের ডোমেইন হোস্টিং কিনবেন

বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এমনকি আমাদের দেশে অসংখ্য ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি রয়েছে যারা ভালো মানের ডোমেইন এবং হোস্টিং সেবা প্রদান করে থাকে। তবে ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পর্কে ভালো করে জেনে শুনে তারপর সঠিক একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ডোমেইন-হোষ্টিং কিনা ভালো। তা না হলে পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। নিচে ঠিক এইরকম কতগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো যা আপনাকে ভালো মানের ডোমেইন হোস্টিং কিনতে সহায়তা করবে। আশা করি এই বিষয় গুলি ভালোভাবে জেনে বুঝে ডোমেইন-হোস্টিং কিনলে পরবর্তীতে এ নিয়ে আর কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না।

ডোমেইন হোস্টিং কিভাবে কিনতে হয়

যেভাবে একটি ভালো মানের ডোমেইন কিনবেন

অন্যান্য সাইট রেজিস্ট্রেশন করার মতোই ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করাটাও একটি সহজ কাজ। এক্ষেত্রে আপনাকে শুধু কয়েকটি স্টেপ এর মাধ্যমে যেতে হবে। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহার কারি অনেক বেড়ে চলেছে সাথে সাথে বেড়ে চলেছে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওয়েব সাইট। তাই আপনার পছন্দমত ডোমেইন নেমটি যদি ইতিপূর্বে কেউ রেজিস্ট্রেশন করে ফেলে তাহলে আপনি কি করবেন। চিন্তার কোন কারণ নেই ডোমেইন নেমটি খালি আছে কিনা তা চেক করার পর যদি দেখেন খালি নেই বা অন্য কেউ কিনে ফেলেছে তাহলে কাঙ্খিত ডোমেইন নেমের আগে বা পরে কিছু যুক্ত করে দিন। তাহলে সহজেই আপনি ডোমেইন কিনে নিতে পারবেন। আপনি খুব সহজেই বাংলাদেশি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে বিকাশ অথবা রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করে জমিন কিনে দিতে পারবেন যেমন IT Net Hosting

ডোমেইন কিনুন এখানে

বিশেষ দ্রষ্টব্য: অনেক হস্টিং প্রতিষ্ঠান আছে যাদের কাছ থেকে নির্ধারিত হোস্টিং প্যাকেজ কিনলে আপনাকে এক বছরের জন্য ডোমেইন বিনামূল্যে অথবা ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে দিবে এছাড়া বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে 100 থেকে 800 টাকার মধ্যে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে থাকে অনেক কোম্পানি। সত্যি কথা বলতে 850 টাকার চেয়ে কম মূল্যে কোন ব্যবসায়ী পক্ষে ডোমেইন বিক্রি করে লাভ করা সম্ভব নয় যদি কেউ এ ধরনের অফার দিয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে তাদের মার্কেট ধরার জন্য ভর্তুকি দিচ্ছে নয়তো অন্য কোন মার্কেটিং পলিসি কাজ করছে এক্ষেত্রে অবশ্যই জেনে শুনে সঠিক প্রতিষ্ঠান থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করবেন।

যেভাবে ভালো মানের হোস্টিং কিনবেন

একটি ভাল মানের হোস্টিং আপনার ওয়েবসাইটের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। হোস্টিং যদি ভালো না হয় সে ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট গ্রো করবে খুব ধীরে। আবার বিভিন্ন সময়ে সার্ভার ডাউন হয়ে যেতে পারে। সুতরাং সবসময়ই ভালো মানের হোস্টিং কিনা প্রয়োজন। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে সঠিক প্রতিষ্ঠান হতে ভালো মানের হোস্টিং কিনবেন

  • প্রথমে ওয়েব হোস্টিং প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
  • হোস্টিং রিভিউ এবং কন্ডিশন গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন
  • ডিক্স স্পেস ব্যান্ডউইথ ও সার্ভার পারফরম্যান্স চেক করুন
  • ব্যাকআপ এবং আপটাইম ও ইউজার কন্ট্রোল প্যানেল সম্পর্কে জানুন
  • কাস্টমার সাপোর্ট যাচাই করুন
  • খেয়াল রাখবেন লোভনীয় মূল্যের ফাঁদে যেন আটকে না জান
  • সর্বাধিক নিরাপত্তা বাহিনী সিকিউরিটি নিশ্চিতকরন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করুন
  • অবশেষে কেনার আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিন কোম্পানির মানিব্যাক গ্যারান্টি দিচ্ছে কিনা

এই পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করলে আপনি ভালো মানের ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারবেন। আজ এই পর্যন্তই আগামীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আমরা হাজির হব।

হোস্টিং কি? হোস্টিং কিভাবে কাজ করে?

ইতিমধ্যে আমরা ডোমেইন কি? ডমিন কিভাবে কাজ করে? ডোমেইন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করেছি। আপনি যদি ডোমেইন সম্পর্কে বিস্তারিত পোস্ট না পড়ে থাকেন তাহলে এখানে ক্লিক করে ডোমেইন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন। একটি ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে যে দুটি জিনিস অবশ্যই প্রয়োজন তা হচ্ছে ডোমেইন এবং হোস্টিং। যেহেতু আমরা ইতিমধ্যে ডোমেইন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি সুতরাং আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় হস্টিং সম্পর্কে সকল খুঁটিনাটি তথ্য। অতএব আপনি আমাদের এই দুইটি পোস্ট ভালোভাবে পড়লে ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে পারবেন। Read in English

হোস্টিং কি?

ধরুন আপনি একটি বাড়ি বানাতে চান তাহলে আপনার প্রথমে কি দরকার হবে বলেনত? জমি। হ্যা একটুকরো জমির উপরেই গড়ে তোলা হয় একটি বাড়ি। ঠিক তেমনি আমরা যখন একটি ওয়েবসাইট বানাতে যাই তখন আমাদের দরকার পড়ে জমি বা স্থানের। মোট কথা ওয়েবসাইটের ফাইলগুলিকে যেখানে রাখা হয় তাই হলো হোস্টিং।

DU B Unit Result 2022

ওয়েবসাইটের ফাইলগুলি এমন একটি কম্পিউটারে রাখা হয় যে কম্পিউটার ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত এবং দিনরাত ২৪ ঘন্টা চালু থাকে। ইন্টারনেটে ফ্রি কিংবা টাকার বিনিময়ে হোস্টিং সেবা দিয়ে থাকে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে।

হোস্টিং কি

হোস্টিং কিভাবে কাজ করে?

যখন কোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ব্রাউজারে ডোমেইন নেম লিখে সার্চ করে তখন ডোমেইন নেমটি আইপি এড্রেসে রুপান্তরিত হয়ে ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির কম্পিউটারে অনুরোধ করে এবং হোস্টিং কম্পিউটার তৎক্ষণিক ভাবে ভিজিটরের ব্রাউজারে ফেরত পাঠায়। যার ফলে ভিজিটররা ব্রাউজারে ওয়েবসাইটটি দেখতে পায়।

ডোমেইন কি? ডোমেইন এর কাজ কি?

হোস্টিং এর প্রকারভেদ

সুযোগ সুবিধার উপর ভিত্তি করে হোস্টিং কে চার ভাগে ভাগ করা হয়। তা হল

  • শেয়ারড হোস্টিং (Shared hosting)
  • ভিপিএস হোস্টিং (VPS hosting)
  • ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated hosting)
  • ওয়ার্ডপ্রেস ম্যানেজড হোস্টিং (WordPress managed hosting)

শেয়ারড হোস্টিং (Shared hosting)

যেই হোস্টিং সার্ভারে জায়গা ভাগাভাগি করে একাধিক ওয়েবসাইট ডাটা সংরক্ষণ করে তাকে শেয়ারড হোস্টিং বলা হয়। উদাহরণ সরূপ বলা যায় কোন একটি হোস্টিং কোম্পানির কাছে ১০০ জিবি হার্ড্ডিস্কের কম্পিউটার আছে, এখন তারা এই ১০০ জিবি ৫০টি ওয়েবসাইটকে ২ জিবি করে জায়গা দিলো। এরকম হোস্টিং সার্ভারই শেয়ারড হোস্টিং সার্ভার বলে বিবেচিত। কারণ সেখানে ৫০ টি ওয়েবসাইট জায়গা ভাগাভাগি করে নিজেদের ডাটা সংরক্ষণ করেছে।

হোস্টিং কি

অন্যান্য যেকোন হোস্টিং সার্ভারের চাইতে শেয়ারড হোস্টিং মূলত বেশি জনপ্রিয়। অন্যান্য যেকোন হোস্টিং সার্ভারের চাইতে শেয়ারড হোস্টিং এর দাম কিছুটা কম। জনপ্রিয়তার কারণ এটাই। একারণে বিভিন্ন ওয়েবাইট ওনাররা তাদের ওয়েবসাইটের জন্য শেয়ারড হোস্টিং ব্যবহার করে থাকে।কিন্তু শেয়ারড হোস্টিং এর ব্যবহারে কিছুটা সমস্যার বা অসুবিধার মুখোমুখিও হতে হয়। যেমন – শেয়ারড হোস্টিং ব্যবহারে বেশ কিছু লিমিটেশন থাকতে পারে। অনেক ওয়েবসাইট একসাথে হোস্টিং ভাগাভাগি করে ব্যবহার করার ফলে অনেক সময় সার্ভার স্লো হয়ে যেতে পারে। কোন একটি ওয়েবসাইটে যদি অধিক ভিজিটর আসার কারণে সাইটিটি স্লো হয়ে যায় তাহলে এর প্রভাব অন্যান্য ওয়েবসাইটের উপরেও পড়তে পারে।

যেসব ওয়েবসাইট অপেক্ষাকৃত নতুন এবং কম ভিজিটর থাকে তাহলে তাদের জন্য শেয়ারড হোস্টিংই ভালো আর যদি ওয়েবসাইটে অনেক বেশি ভিজিটর থাকে যেমনকোন ওয়েবসাইটে যদি দৈনিক ২০ থকে ২৫ হাজার ভিজিটর থাকে তাহলে শেয়ারড হোস্টিং ব্যবহার না করায় উত্তম।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? এটি কিভাবে কাজ করে।

ভিপিএস হোস্টিং সার্ভার

ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো VPS. এইধণের সার্ভার একাধিক ব্যবহারকারীর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয় না। এখানে একটি সার্ভার মাত্র একজন ব্যবহারকারীর দখলে থাকে। হোস্টিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের হাই কনফিগারের কম্পিউটারে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তাদের একেকটি সার্ভার তৈরি করে রাখে। এরপর একেক জন ব্যবহারকারীর কাছে আলাদা আলদাভাবে ভাড়া দেয়।

এইধণের সার্ভারে একজন মাত্র ব্যবহারকারী থাকার কারণে শেয়ারড হোস্টিং এর তুলানায় অনেক বেশি ফাস্ট লোডিং এবং অনেক বেশি সিকিউরড হয়ে থাকে। আর একটি মাত্র সার্ভারে একটি মাত্র ওয়েবসাইট স্থাপন করা হয় কারণে এর সকল ক্ষমতা ব্যবহারকারীর হাতে থাকে। ভিপিএস হোস্টিং সার্ভারের একটাই সমস্যা আর সেট হলো এর দামটা একটু বেশি।

ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated hosting)

ডেডিকেটেড ওয়েবসার্ভার হলো এমন ধরণের সার্ভার যেখানে একটি কম্পিউটারে একটি মাত্র সার্ভার স্থাপন করা হয়। এবং একজন মাত্র ব্যবহারকারী সেই সার্ভারটি ব্যবহার করে। মানে পুরো একটি বিল্ডিংএ একজন মাত্র ব্যবহারকারী।

ডেডিকেটেড হোস্টিং সার্ভার দুই প্রকারের।

ম্যানেজড হোস্টিং (Managed hosting)ম্যানেজড হোস্টিং সার্ভার হলো সেই ধরণের হোস্টিং সার্ভার যে সার্ভারে সার্ভার মেইনটেইন্স, সফটওয়ার ইনস্টল, কনফিগারেশন ইত্যাদি কাজগুলো হোস্টিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানই করে দেয়। গ্রহককে কিছুই করতে হয় না। এজন্য এধরণের সার্ভারের দামও বেশি হয়ে থাকে।

আনম্যানেজড হোস্টিং (Unmanaged hosting)আনম্যানেজড হোস্টিং সার্ভার হলো সেই ধরণের হোস্টিং সার্ভার যে সার্ভারে সার্ভার মেইনটেইন্স, সফটওয়ার ইনস্টল, কনফিগারেশন ইত্যাদি কাজগুলো হোস্টিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানই করে দেয় না বরং গ্রাহক নিজেই এসব কাজগুলো করে থাকে।

Buet Admission Circular 2020-21

ডেডিকেটেড সার্ভারের মত এত স্বাধীণতা এবং সুযোগ সুবিধা অন্য হোস্টিং সার্ভারে পাওয়া যাবে না। আর খুজতে যাওয়াটাও একধরণের বোকামি। এধরণের সার্ভারে নিরাপত্তা যেমন অনেক বেশি তেমনি সাইট লোডিং স্পীড হয় সুপার ফাস্ট।

ওয়ার্ডপ্রেস ম্যানেজড হোস্টিং (WordPress managed hosting)

ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে ওয়ারডপ্রেসের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। পুরো পৃথিবী মোট ওয়েবসাইটের ৩৭%+ ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা অনেক বেশি একারণে হোস্টিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট বানানোর জন্য একধরণের হোস্টিং সারভার তৈরি করেছে। এধরণের সার্ভারই ওয়ার্ডপ্রেস ম্যানেজড হোস্টিং সার্ভার। আর এধরণের সার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস ছাড়া অন্য কোন প্লাটফর্ম ইনস্টল করা যায় না।

ডোমেইন কি? ডোমেইন এর কাজ কি?

আমাদের এই আলোচনার মাধ্যমে আপনি হোস্টিং সম্পর্কে সকল তথ্য জানতে পারবেন। ইতিমধ্যে ডোমেন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে অন্য একটি পোষ্টের মাধ্যমে। আপনি চাইলে নিচের লিংক থেকে দেখে আসতে পারেন।

নেমচিপ হোস্টিং কেমন?

নেমচিপ হোস্টিং : হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভালই আছেন। একটি ভাল মানের ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই ভাল ডোমেইন এবং ভালো মানের হোস্টিং প্রয়োজন। ভালো মানের ডোমেইন এবং হোস্টিং এর উপর নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইট থেকে আপনি কতটা প্রফিট পাবেন। ইতিমধ্যে আমরা একটি ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরেছি। ডোমেইন কি হোস্টিং কি এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আমরা ইতিপূর্বে করে ফেলেছি। আমরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন হোস্টিং কোম্পানির নাম‌ও জেনে ফেলেছি। আমাদের আজকের আলোচনায় আমরা জানবো নেইমচিপ হোস্টিং কেমন? এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। Read in English

বর্তমান বিশ্বে অনেক হোস্টিং কোম্পানি রয়েছে। যেগুলো রীতিমতো সেবা দিয়ে চলেছে। কিন্তু ভালো মানের হোস্টিং এর জন্য কিছু সেরা কোম্পানি রয়েছে। বিভিন্ন দিক থেকে বিবেচনা করে আজ আমরা জানাবো নেইমচিপ হোস্টিং কেমন এ সম্পর্কে। এবং আমরা জানবো নেইমচিপ হোস্টিং এর বিভিন্ন প্যাকেজ সম্পর্কে। সুতরাং আলোচনাটি সম্পন্ন পড়ার অনুরোধ রইল।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করবেন কিভাবে

হোস্টিং এর ভিতর একটা সাইটের অনেক প্রাইভেসি লুকিয়ে থাকে। আর আপনি নিজের সাইটের প্রাইভেসি ধরে রাখার জন্য লোকাল কোন কম্পানি বা প্রতিষ্ঠান থেকে হোস্টিং কিনলে প্রাইভেসি পাবেন না। তাই আমি চাইবো যে, আপনারা ডাইরেক্ট মেইন কোন কম্পানি বা প্রতিষ্ঠান থেকে হোস্টিং কিনুন। সেরা হোস্টিং কম্পানির মধ্যে namecheap অত্যন্ত জনপ্রিয়। namecheap থেকে হোস্টিং কিনতে কেমন খরচ হবে সেটা এই আলোচনায় বলবো।

নেমচিপ হোস্টিং

কারণ এই সাইট অনেক অফারের পাশাপাশি প্রায় সব সময়ই ডোমেইন বা হোস্টিং কেনার জন্য জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকে। এছাড়া আরো অনেক সাইট আছে যাদের ডাটা সেন্টার সরাসরি UK বা USএ এ তে। এই যেমন GoDaddy. তবে আপনি মেইন যে কোন কোম্পানি থেকেই কিনতে পারবেন। কারণ কোম্পানি ভেদে দামের সামান্য তারতম্য ঘটতে পারে।

ফ্রি ডোমেইন কিভাবে নিবেন জানতে দেখুন

নেইমচিপ হোস্টিং এর বিভিন্ন প্যাকেজ

বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং পাবেন আপনি। তবে হোস্টিং কিনতে হবে আপনার সাইটের উপর ডিপেন্ড করে। অর্থাৎ আপনার সাইটের জন্য যে হোস্টিং ভাল হবে সেটাই কিনতে হবে। হোস্টিং এর বিভিন্ন প্যাকেজ আছে। আর এই প্যাকেজের দামও মেয়াদ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন। আমি নিচে বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং এর প্যাকেজ ও এর দাম উল্লেখ করলাম। আশা করি আপনারা পড়লে বুঝতে পারবেন ।

Shared Hosting

বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং এর মধ্যে শেয়ার হোস্টিং একটু বেশি জনপ্রিয়। কারণ প্রথম দিকে প্রায় সবাই তাদের সাইটের জন্য এই হোস্টিং ব্যবহার করে থাকে। কারণ সবাই মিলে হোস্টিং শেয়ার করে কিনলে খরচ কম হয়। এই হোস্টিং এর আবার অনেক গুলো প্যাকেজ আছে। এই প্যাকেজ গুলো মূলত সুযোগ সুবিধার উপর ভিত্তি করে এবং মেয়াদের উপর ভিত্তি করে দাম নির্ধারিত করা হয়। শেয়ার হোস্টিং এর দাম শুরু হয়েছে প্রায় ২.৮৮ ডলার থেকে। যা বাংলাদেশী টাকায় দাঁড়ায় প্রায় ২৪২ টাকা। মেয়াদ ১ মাস। এক বছরের জন্য হিসাব করলে তা হয় ২৯০৪ টাকা।

হোস্টিং কি? হোস্টিং কিভাবে কাজ করে?

Reseller Hosting

Reseller Hosting এর সর্বনিম্ম দাম ১৬.৮৮ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৪১৮ টাকা। যার মেয়াদ ১ মাস। আপনি রিসেলার হোস্টিং এর আরো প্যাকেজ পাবেন। যা মেয়াদ ও সুযোগসুবধার উপর ডিপেন্ড করে দাম নির্ধারণ করা আছে।

নেমচিপ হোস্টিং

VPS Hosting

VPS Hosting এর দাম ১৪.৮৮ ডলার থেকে শুরু হয়েছে। যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১২৫০ টাকার সমান। এর মেয়াদও ১ মাস। তবে আপনি মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন অন্যান্য হোস্টিং এর মত করে। আর প্যাকেজও আছে অনেকগুলো। পছন্দমত বেছে নিতে পারবেন যে কোন প্যাকেজ

Dedicated Servers

Dedicated Servers এর দাম তুলনামূলক একটু বেশি হয়ে থাকে। তবে এই হোস্টিং অনেক বেশি প্রাইভেসি দিতে পারে। অনেক বড় বড় কম্পানি তাদের নিজস্ব অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের জন্য এই ডেডিকেটেড সার্ভারস ব্যবহার করে থাকে। এর দাম শুরু হয়েছে ৫৮.৮৮ ডলার থেকে। যা প্রায় ৪৯৫০ টাকার মত। এর মেয়াদও ১ মাস। তবে মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন। আর সাথে অন্যান্য প্যাকেজ তো আছেই।

একটি ওয়েবসাইটের জন্য যেটি অবস্যই

Email Hosting

neamcheap এ ইমেইল হোস্টিং এর দাম শুরু হয়েছে ৯.৯৯ ডলার বা প্রায় ৮৩০ টাকা থেকে। এই হোস্টিং এরও অনেক গুলো প্যাকেজ আছে এবং সুবধামত মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন আপনারা।

নেমচিপ হোস্টিং

Managed WordPress Hosting

ম্যানেজড ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং এর দাম অনেক কম হয়ে থাকে। তবে প্যাকেজ ও মেয়াদের সাথে সাথে দাম বাড়ে। ম্যানেজড ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং এর দাম ১ ডলার থেকে শুরু হয়েছে। যা বাংলাদেশী টাকায় ৮৪ টাকা।

ডোমেইন কি? ডোমেইন এর কাজ কি?

Clearance Servers

Clearance Servers এর দাম একটু বেশি হয়ে থাকে। তবে প্যাকেজ ও মেয়াদের সাথে সাথে দাম বাড়ে। Clearance Servers হোস্টিং এর দাম 34.88 ডলার থেকে শুরু হয়েছে। এর মেয়াদও এক মাস। তবে আপনি মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন অন্যান্য Servers এর মত করেই। আর প্যাকেজও আছে । আপনি পছন্দমত বেছে নিতে পারবেন যে কোন প্যাকেজ।

আমি এখানে বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক দাম উল্লেখ করেছি। এই দাম কম বেশি হতে পারে। কারণ ডলারের দাম প্রায়ই কম বেশি হয়ে থাকে। তাই আপনি যখন কোন হোস্টিং প্যাকেজ কিনবেন । আশাকরি আমাদের এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত পড়ার পরে আপনি বুঝতে পেরেছেন নেমচিপ হোস্টিং কেমন। আজ এই পর্যন্তই। সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন

গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার কয়েকটি বেসিক টিপস

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে বর্তমান সময়ে ভালো পরিমাণে ইনকাম করা যায়। গুগল এডসেন্স সম্পর্কে যাদের ধারনা নেই তাদের জন্য বলি গুগল এডসেন্স হলো অ্যাড প্রদর্শনের একটি মাধ্যম বলা যেতে পারে। বিভিন্ন কোম্পানি তাদের অ্যাড গুগলের কাছে দেয় এবং গুগল সেগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে দেখিয়ে থাকে। সহজভাবে বলতে গেলে আমরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব অথবা বিভিন্ন জায়গায় গেলে বিভিন্ন রকমের এড শো করে। এই অ্যাডগুলো মূলত গুগল দিয়ে থাকে। আর আপনার সাইটে অথবা আপনার চ্যানেলে এই অ্যাডগুলো প্রদর্শন করানোর জন্য আপনাকে গুগল অর্থ প্রদান করে থাকে। সুতরাং ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব অথবা ফেসবুক এর মাধ্যমে ইনকাম করতে চাইলে গুগল এডসেন্স খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। Read in English

গুগল এডসেন্স পেতে অনেকের অনেক রকমের সময়ের প্রয়োজন পড়ে। কেউ এক মাসের মধ্যে গুগল এডসেন্স পেয়ে থাকে কেউ ৭ দিনের মধ্যে আবার কেউ বা দুই মাসের পর পেয়ে থাকে। এর পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। আমাদের কিছু ভুল এবং কিছু ট্রিকস না জানার কারণে গুগল এ্যাডসেন্স পেতে দেরি হয়। আজ আমরা আপনাদের সাথে এমন কিছু টিপস শেয়ার করব যার মাধ্যমে আপনি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে গুগল এডসেন্স পেতে পারেন।
গুগল অ্যাডসেন্স

গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য যা যা করতে হবে

আপনি যদি গুগল এডসেন্স পেতে চান তবে এই কাজগুলো করুন তাহলে দ্রুত সময়ের মধ্যে আপনি গুগল এডসেন্স পেয়ে যাবেন।

প্রিমিয়াম ডোমেইন ব্যবহার

আপনি যদি আপনার নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ফ্রি ডোমেইন ব্যবহার করেন তবে তা বাদ দিয়ে প্রিমিয়াম ডোমেইন (.com/.net/ .info/ .xyz/ .org) ব্যবহার করুন। এটি গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরী। আর যদি আপনি ফ্রী ইউজ করতে চান তবে গুগলের ব্লগস্পট ব্যবহার করতে পারেন এটি ফ্রি হলেও গুগলের নিজস্ব তাই দ্রুত অ্যাডসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যান্য এড ব্যবহার না করা

যখন আপনি গুগল এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন তখন যাতে আপনার ব্লগে অন্য কোন এড নেটওয়ার্ক এর বিজ্ঞাপন ভাড়া থাকে এতে এডসেন্স অনেক সহজে আপনার অনুরোধ রিজেক্ট করে দিতে পারেন মানে আপনার সাইটে ব্লগে পূর্বে যদি কোন এড থাকে তাহলে সেটি রিমুভ করে তারপরে এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করুন। আপনি যদি তা না করেন তাহলে গুগল এডসেন্স পাবেন না। এটি অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায় ( Online Earning Way)

দ্রুত এবং পরিষ্কার সাইট

গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিষয় সবসময় মনে রাখতে হবে। আপনার বানানো ব্লগ যাতে অনেক ফাস্ট এবং পরিষ্কার থেকে। মানে ব্লগের লোডিং স্পীড যেন ভাল হয়। একটি ভালো পরিষ্কার থিম ব্লগে অবশ্যই ব্যবহার করবেন। যা আপনার সাইটকে অ্যাডসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে খুব হেল্প করবে।

গুগল অ্যাডসেন্স

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পিএস সাইটে যুক্ত করুন

ব্লগ বা ওয়েবসাইটে অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য কিছু জরুরি পেজ অবশ্যই থাকতে হবে যেমন

  • Privacy policy
  • Contact us
  • Disclaimer
  • About us

এই পেজ গুলি যদি ব্লগে বানানো থাকে তাহলে ব্লক টি দেখতে যেমন প্রফেশনাল লাগে তেমনি ব্লগে অ্যাডসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যায়।

দীর্ঘ এবং কপি পেস্ট মুক্ত আর্টিকেল

আপনার সময় লাগলেও ব্লগে লেখা প্রত্যেকটি আর্টিকেল যাতে মিনিমাম ৬০০ থেকে ১০০০ শব্দের ভেতরে হয় সেটি খেয়াল রাখতে হবে নিজের লিখা অরিজিনাল আর্টিকেল কমিও ৬০০ ভিতর থাকলে এডসেন্স অনেক সহজেই আপনার ব্লগকে একটি হাই কোয়ালিটি ব্লগ ভাববে আর কোন মতেই কপিপেস্ট যুক্ত পোস্ট লেখা যাবে না এতে সহজে এপ্রোভাল পেয়ে যাওয়ার সুযোগ অনেক বেশি।


কপিরাইটমুক্ত ইমেজ ব্যবহার করা

মনে রাখবেন নিজের ব্লগের আর্টিকেলে কোন সময় গুগল থেকে যেকোনো ছবি ডাউনলোড করে সরাসরি ব্যবহার করবেন না কপিরাইট ইমেজ বা অন্যদের দেওয়া ছবি ব্যবহার করলে সেগুলি আপনার নিজের কন্টেন্ট বুঝায় না তাই এরকম ছবি ব্যবহার করলে অ্যাডসেন্স থেকে অনুমোদন পাওয়াটা অনেক কঠিন হয়ে যায়। Pixabey এবং Pexels ব্যবহার করে আপনারা নিজের ব্লগের জন্য ভালো ভালো হাজার হাজার কপিরাইট ফ্রি ছবি পেয়ে যাবেন।

কমপক্ষে ৫০ টি আর্টিকেল থাকা

আপনি একটি খালি বা কিছু কন্টেন না থাকা ব্লক এডসেন্স এর জন্য দিতে পারবেন না আর যদি দিয়ে থাকেন তাহলে এডসেন্স এই ব্লগে কোনদিনও আপলোড করবেনা তাই নিজের ব্লগে এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করার আগে কমপক্ষে ৫০ টি ভাল আর্টিকেল লিখবেন তাছাড়া ব্লগে থাকা প্রত্যেকটি ক্যাটাগরিতে ৩ থেকে ৫ টি করে আর্টিকেল রাখবেন মনে রাখবেন কোন রকমের কপি করা কনটেন্ট ব্লগে থাকলে এডসেন্স কিন্তু আপনার ব্লগে আপলোড করবেনা তাই অরিজিনাল এবং ভালো কোয়ালিটির কন্টেন লিখবেন।

উপরে দেওয়া বিষয়গুলি ভালো মতো অনুসরণ করলে গুগল এডসেন্স খুব দ্রুত এবং খুব সহজে পাওয়া সম্ভব।

ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন কেন এত জনপ্রিয়?

আজকে আমরা আলোচনা করব ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন কেন এত জনপ্রিয়। ইতিমধ্যে আমরা আলোচনা করেছি গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কিভাবে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেন সম্পর্কে। আপনি যদি পোস্টটি না পড়ে থাকেন তাহলে এখানে ক্লিক করে পোস্টটি দেখে আসতে পারেন। Read in English

ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন

আসলে সত্যি কথা বলতে গেলে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন এত জনপ্রিয় হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। যে কেউই চাইবে তার ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে এমন একটি পেশা নির্ধারণ করতে। গ্রাফিক্স ডিজাইন হচ্ছে এরকম একটি পেশা। চলুন দেখে আসি গ্রাফিক্স ডিজাইন ক্যারিয়ার হিসেবে কেন এত জনপ্রিয়।

সৃজনশীল পেশা

গ্রাফিক্স ডিজাইন পরিপূর্ণরূপে একটি সৃজনশীল পেশা এই পেশায় আপনার সৃজনশীলতা আপনার মূল হাতিয়ার পুঁথিগত বিদ্যা এখানে তেমন একটা কাজে আসে না আপনি যদি সিজনশীল না হন তাহলে আপনি এই সেক্টরে উন্নতি করতে পারবেন না।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বিভিন্ন সফটওয়্যারের ব্যবহার সঠিকভাবে না জানলে আপনি আপনার সৃজনশীলতা সঠিক ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন না। আপনাকে অনেক চর্চা এবং ধৈর্যের সাথে বিভিন্ন প্রজেক্ট করতে হবে নিজের কাজে পারদর্শী তা বাড়িয়ে নেওয়ার জন্য। আপনি হয়তো অনেক ডিজাইন অনলাইনে পাবেন তবে নিজেকে যদি সেই ফ্রী ডিজাইনার গুলোর মধ্যে আটকে রাখেন তাহলে আপনার জন্য এই পেশা নয় আপনাকে নিজেকে শেখার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে।

আপনি যত বেশি সৃজনশীলতার সাথে আপনার আইডিয়া ফুটিয়ে তুলতে পারবেন ততই আপনার কাজের কোয়ালিটি উন্নত হবে আপনি যদি আপনার সৃজনশীলতাকে স্বাধীন ভাবে ফুটিয়ে তুলতে ভালোবাসেন তাহলে গ্রাফিক্স ডিজাইন আপনার জন্য একটি উত্তম পেশা এবং আপনি এখানে অনেক উন্নতি করতে পারবেন। সৃজনশীল মানুষদের কাছে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন খুবি আনন্দদায়ক
ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন

উচ্চতর চাহিদা

বর্তমান বিশ্বের ভিজুয়াল কন্টেন সবথেকে বেশি পপুলার হচ্ছে সাথে সাথে গ্রাফিক্স ডিজাইন এ অনেক বেশি চাহিদা পূর্ণ হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে ওয়েব সাইটের কাজের জন্য এখন গ্রাফিক্স ডিজাইন অপরিহার্য। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রয়োজন তা দিন দিন বেড়েই চলেছে কারণ এই ইন্ডাস্ট্রিতে পেশাগত মানুষ খুবই কম। আপনি যদি নিজেকে এই কাজে পারদর্শী করে তুলতে পারেন তাহলে বিশ্বের অনেক বড় বড় কম্পানিতে চাকরি সুযোগ পেতে পারেন যেখানে আপনার বেতনের পরিমাণ অনেক বেশি। চাহিদা থাকার কারনে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন খুব জনপ্রিইয় এখন।

বাড়িতে বসে কাজের সুযোগ

আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হন তবে গ্রাফিক্স ডিজাইনার এর সব থেকে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি যেকোনো জায়গায় বসে এই কাজ করতে পারবেন আপনাকে কোন অফিসে বসে কাজ করতে হবে না আপনি চাইলে ঘরে বসে ও কাজ করতে পারেন। শুধুমাত্র আপনার প্রয়োজন একটি ল্যাপটপ ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করলেই আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন যেকোনো জায়গায় বসে। এই সেক্টরটি সম্পূর্ণরূপে পারদর্শিতার উপর নির্ভর করে সুতরাং আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা খুব বেশি জরুরি হিসেবে ধরা হয় না আপনি যদি পারদর্শী হন তাহলে আপনি এই সেক্টরে উন্নতি করতে পারবেন।

অনলাইন ইনকাম

কাজের স্বাধীনতা

আপনি যদি কাজের স্বাধীনতা চান তাহলে কারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন বেছে নিতে পারেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা সাধারণভাবে স্বাধীনচেতা হয়ে থাকেন। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে ভালবাসি আপনি যদি ইচ্ছা করেন তাহলে আপনি নিজে নিজেই এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পারেন আপনি নিজের পোর্টফোলিও ব্যবহার করে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করে নিজের কাজ করতে পারবেন। আপনি অনলাইনে অনেক প্ল্যাটফর্ম পাবেন যেখান থেকে আপনি নিজের একটি একাউন্ট ক্রিয়েট করে কাজগুলি প্রদর্শন করে রাখতে পারেন আপনার কাজ দেখে যদি কারো ভালো লাগে তাহলে তারাই আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের প্রজেক্টে কাজ করার জন্য।

অধিক আয়ের সুযোগ

যেহেতু বর্তমান বিশ্বে ভিজুয়াল কনটেন্টের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েছে সুতরাং আপনি চাইলে এখনই গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে অধিকার নিশ্চিত করতে পারেন আপনি হয়তো জানেন না যে অনেক কোম্পানি আছে যারা শুধু লোগো ডিজাইন করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে থাকে আপনি যদি ভালোভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারেন তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনের বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করতে পারবেন এছাড়া বিভিন্ন ইকমার্স কোম্পানি আছে যারা তাদের প্রোডাক্ট গুলো ভালোভাবে তাদের ওয়েবসাইটে ফুটিয়ে তুলতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের সাহায্য নিয়ে থাকেন। সুতরাং ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন এ আপনারা অধিক আয়ের সুযোগ রয়েছে।

চাকরির সুযোগ

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে আপনি দেশিবিদেশি বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করতে পারবেন বিদেশি কোম্পানিগুলো তা কাজ করার চেয়ে সবথেকে বেশি ভালো হয় আপনি যদি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করা শুরু করেন। কারণ একবার কাজ করতে থাকলে বিভিন্ন দেশের পয়েন্টের সাথে ভাল সম্পর্ক তৈরী হবে এবং তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের কোম্পানির সাথে কাজের সুযোগ পাবেন।

পাশাপাশি আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে দেশি কোম্পানিতে কাজ করতে চান তাহলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনাকে গ্রাজুয়েট হতে হবে এবং এই বিষয়ে সার্টিফিকেট কোর্স করতে হবে তবে অনেক বেশি কোম্পানিও এখন একাডেমিক যোগ্যতার চেয়ে দক্ষতার উপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আপনি চাইলে ওইসব কোম্পানিতে কাজ করতে পারবেন। ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন খুব উপকারি।
ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন

প্রতিভা দেখানোর সুযোগ

মোটামুটি আমরা সকলেই জানি বাংলাদেশ প্রতিবাদে খানের সুযোগ খুবই কম সুযোগ থাকলেও সেগুলো তেমন মূল্যায়ন হয় না গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখলে আপনি দেশিবিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির সাথে কাজ করতে পারবেন সেক্ষেত্রে আপনার যদি প্রতি ব্যথাকে তাহলে সেটা দেখানোর ক্ষেত্রে আপনার কোন অসুবিধা থাকবে না আপনি যথাযথ মূল্যায়ন পাবেন আপনার প্রতিভাগুলো চাইলে পোর্টফোলিও আকারে মার্কেটপ্লেসগুলোতে প্রদর্শন করতে পারবেন সেগুলো দেখে ক্লাইন্ট আপনাকে খুব সহজেই খুঁজে নিতে পারবে। আপনি যত ভালো প্রতিবাদে খাতে পারবেন আপনার কাজের মূল্য তত বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং প্রতিবাদে খানের ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি ভালো জায়গা হতে পারে।

উচ্চ শিক্ষার প্রয়োজন নেই

গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য আপনাকে উচ্চতর ডিগ্রিধারী হতে হবে না মার্কেটপ্লেসগুলোতে অনেক মানুষ আছে যারা এই স্কুলের গন্ডি ঠিকমতো পার করতে পারেনি ছাত্র থেকে শুরু করে গৃহিণী পর্যন্ত এখন গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ এর সাথে সংযুক্ত। এখানে তেমন কোনো রিকোয়ারমেন্ট থাকে না এডুকেশন ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে কোন চিন্তা থাকে না তাই আপনি খুব বেশি একটা শিক্ষিত না হয়েও গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে ভালো একটা ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। এই সেক্টরে কেউ আপনার কাছে শুনতে চাইবে না যে আপনি কতটা শিক্ষিত। এখানে আপনার প্লাইন সুখ দেখতে আপনার প্রতিভা দেখবে আপনার কাজ দেখবে আপনার দক্ষতা।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বর্তমানে আর্যভট্ট একটি আশার বাণী হচ্ছে এই খাতে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অনেক বেশি বর্তমানে এমন একটি সময় যেখানে এসে আমরা মারকেটিং বলতে শুধুমাত্র ডিজিটাল মার্কেটিং কি বুঝি। একটা সময় এর মাত্রা আরো বৃদ্ধি পাবে নতুন নতুন ডিজিটাল মার্কেটিং এর মেথড বের হবে এবং যেগুলো মূলত গ্রাফিক্স ডিজাইনে উপর নির্ভরশীল হবে। সুতরাং যারা এই সেক্টরে আপনার ক্যারিয়ার গড়ার চিন্তা ভাবনা করছেন তারা নিঃসন্দেহে অনেক সুদূরপ্রসারী একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং খুব জনপ্রিয় একটি পেশা বর্তমানে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে এই সেক্টরের মাধ্যমে আপনি চাইলে ঘরে বসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে এই ফ্রিল্যান্সিংয়ের খুব বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইন ছোট একটা লোগো থেকে শুরু করে টেলিভিশনের কমার্শিয়াল তৈরিসহ ডিজিটাল মার্কেটিং এর সকল মার্কেটিং সামগ্রী তৈরীর ক্ষেত্রে রয়েছে এর চাহিদা এজন্য মার্কেটপ্লেসগুলোতে এই গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ অনেক বেশি পাওয়া যায়। সুতরাং আপনি যদি আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে চান তবে গ্রাফিক্স ডিজাইন আপনার জন্য হতে পারে একটু ভালো পেশা।

আজকের মতো এই পর্যন্তই আপনারা যে কোন অনলাইন ভিত্তিক তথ্য জানতে আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন।

Android 13 Features: The latest features and updates

hello friends,
How are you all? I hope you are well. What we will discuss today is about Android 13 features and updates.
Recently, Android 13 was released on August 15, which is the latest version of Android, which is called Easter Egg. Various new features have been added to it and many types of bugs have been fixed in Android 12.

Many people know that since Android 9 (pie) they have stopped using Lollipop, marshmallow, kitkat, oreo names in their Easter Eggs. They decided to name the remaining Android Easter Eggs or New Updates from Android 10 as Numberic.

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায়

According to some websites or blog posts and some content creators, Android 13 is being called Tiramisu this time. As Android 10 was called Quince Tart, Android 12 was called Red Velvet Cake, Android 11 was called Snow Cone by many people. But many people don’t know anything about it. What I was saying in the previous line, they are no longer called Publicly. So Officially now it can be assumed that Android 10,11,12,13 will be called by their Numberic way.

Anyway, let’s take a look at what new features have been added in Android 13 and what they do.

1) Customization Features:

In Android 13, you can see a variety of new color palettes that you can extract from Wallpaper and use. 16 different color themes + new color theme options available here.

Those who used Android 12 must know that Material U is one of Google’s new features for Android. Here you get lots of Themes & Wallpapers Customization Options. Which has been upgraded to Android 13. More Smooth, Bugless + Many more types of color patterns, color palettes, color schemes, themes etc. have been added here.

In Android 13, they have brought Wallpaper based color palette through which you can extract color separately from any wallpaper and use it in the theme. This is a nice feature for customization lovers. In Android 13 of 2022, you can see a new customization feature called auto theme. Through this feature, the icons in your ui will automatically change with the theme change. Which looks absolutely amazing.

02) Lock Screen + Widgets:

Android 13 has a variety of new widgets, UI changes. When playing music, the bar through which the audio change is done is now given as a kind of curve like a snake. Which looks very nice.

Media bars have been enlarged. Fingerprint Animation, Icon, Lockscreen Widget have also received slight changes. The Gesture Button has been slightly enlarged.

03) Clipboard:

Clipboard is now used by almost every person. Various types of information can be saved in Clipboard by copying and pasting. Which is useful for different needs at different times.

This is especially useful for those who do multitasking. You can see the new layout of this Clipboard in Android 13. Through this, you can see the preview by taking a picture in the camera, and from now on, you will see the preview below as soon as you copy any text.

If you want, you can also edit the text in the Clipboard which was not there before. Personally found this feature very useful. Because many things (text) can be edited through this feature which could not be done before. Many of us felt the lack of this feature. Also, if you copy any image like IOS, it will also be saved as a clipboard, which will show a preview. You can re-edit it however you like.

মোবাইল দিয়ে এনআইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

Another privacy feature has been added here. As a result, from now on, any unwanted App will not be able to see any sensitive information on the Clipboard.
(For example: password or your bank details or something confidential) even if you keep it in the clipboard, no app will understand it. Because that app will empty the clipboard. I think this is a great feature for privacy centric people. Also, you can copy any text, photo, etc. from android mobile to android tab directly in an ecosystem like IOS. These features are coming soon.

04) Security Improvements:

Various security related bug fixes + updates + new features have arrived.

For example, from now on, whenever Android 13 users give permission to a new app to access photos, you can select some photos instead of giving access to the entire gallery, so that only those photos have access to the app.

Notification Permission has also been improved. Whenever an app accesses notification, it will ask permission from you. As a result, no app can show notifications automatically.

Notification is a boring thing for many people. Developers have come up with this feature keeping them in mind.

05) Apps Specific Language Support:

Many people have been requesting this feature for a long time. This feature was finally released with their thoughts in mind. From now on you can use any language you want in each separate App.

Even though the people of our country are Bengalis, they do not understand Bengali on electronic devices. But the people of foreign countries cry for this kind of feature. I know we wouldn’t use these features even if we had them.

কিভাবে অনলাইন থেকে স্মার্ট কার্ড ডাউনলোড করবেন দেখুন বিস্তারিত

Anyway, let’s see how this feature works. Suppose you have two different apps on your phone that you use for different purposes. Now you want one app to work in English and the other in Bengali. But by default that app does not have Bengali language.

This feature is actually designed to solve this problem. Through this you can use different languages ​​for each different App. You can get this option by going to Settings -> App Language. The feature may not be usable for everyone but will be a useful feature for many.

In addition to these, various types of bugs have been fixed. Various Security, UI Improvements have been brought in this update. Google has brought the updates so that your phone can be used as smoothly as possible. Also, if there are some bugs through different types of updates, Google will fix them. There is nothing to fear about that.