কিসমিস না কি আঙ্গুর: আঙ্গুর এবং কিসমিস আলাদা  হলেও দুজন কিন্তু একি। কেননা আঙ্গুরকে শুকিয়ে এবং প্রক্রিয়াজাত করণের মাধ্যমে কিসমিস তৈরি করা হয়। আঙ্গুর খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি মিষ্টি। আবার কিসমিসও এ দিক থেকে খুব একটা কম যায় না। আঙ্গুল এবং কিসমিস আমাদের জীবনে বহু প্রচলিত। আঙ্গুর আমরা শরীরের পুষ্টির জন্য যেমন ভাবে খায় কিসমিস আমরা বিভিন্ন রান্নার স্বাদ এবং অন্যান্য রেসিপি ব্যবহার করে খায়। আমরা বাঙালিরা বহু রান্নায় কিশমিশ ব্যবহার করে থাকি। পোলাও-পায়েসে এক মুঠো কিশমিশ দিলে স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। Read in English

Top 5 Online Income sources

অনেকেই আবার দিনে বেশ কয়েকটি কিশমিশ খান সুস্বাস্থ্যের জন্য। কিশমিশ শরীরে শক্তি জোগায়, হাড় মজবুত করে। শরীরে বিভিন্ন উপকারে কিসমিস এর ব্যবহার অনেক গুণ বেশি। অনেক ব্যক্তি আছেন যারা সকালের শুরুটা করেন দু-চার  পিস কিসমিস সেবনের মাধ্যমে। কিশমিশে থাকে ফাইবার, প্রোটিন, আয়রন, পটাশিয়াম, কপার। সারা রাত জলে কয়েকটি কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে তা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী।

Get More Details

কিসমিস না কি আঙ্গুর

আঙ্গুর এবং কিসমিস কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে জনমানসে প্রচুর দ্বন্দ্ব আছে। সকালে মনে করেন আঙ্গুর টা বেশি স্বাস্থ্যকর আবার অনেকেই মনে করেন কিসমিসটা বেশি স্বাস্থ্যকর। মতবিভেদ আলাদা থাকার কারণ একটাই কেননা আঙ্গুরকে শুকিয়ে কিছু তৈরি করা হয় কিশমিশ।  অনেকে মনে করেন কাঁচা ফলের গুনাগুন বেশি আবার অনেকে মনে করেন শুকনা ফলের গুনাগুন টা বেশি। একটি কাঁচা, অন্যটি শুকনো— এই দুটি পার্থক্য ছাড়াও পুষ্টিগুণেও পার্থক্য রয়েছে। আঙুর রোদে বা হাওয়ায় শুকিয়ে বানানো হয় কিশমিশ।কিসমিস না কি আঙ্গুর

আর সেই প্রক্রিয়াতেই হেরফের হয়ে যায় দুইয়ের পুষ্টিগুণ। কাঁচা এবং শুকনা এই দুই এর উপর ভিত্তি করেই ও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে আঙুর অথবা কিশমিশ খাওয়া প্রয়োজন।

কিভাবে হয় কিশমিশ

কিসমিস তৈরির প্রক্রিয়া আমরা কমবেশি সকলেই জানি। আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যম বা ইউটিউব এর মাধ্যমে কিসমিস তৈরির প্রক্রিয়া খুব সহজে দেখতে পাই। আঙুর শুকিয়ে তৈরি করা হয় কিশমিশ। তাই এতে শর্করা অনেক ঘন হয়ে যায়। ডায়াবিটিসে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে কিশমিশ অনেক বেশি ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে।

How to make money online (অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায়)

আঙ্গুর একটা মানুষ যত সহজে সেবন করতে পারে কিসমিস কিন্তু ঠিক ততটা সহজ ও সেবন করতে পারে না। এর জন্য রয়েছে কিছু বাধ্যবাধকতা। আঙুরে তুলনায় সমস্যা কম। তবে ডায়াবিটিস থাকলে আঙুর খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া জরুরি।

কিসমিস না কি আঙ্গুর

ক্যালরি কোথায় বেশি কিশমিশ না আঙ্গুর এ?

চিনির মতো কিশমিশে ক্যালোরির পরিমাণও অনেকটা বেশি। কেননা আঙ্গুরকে শুকিয়ে কিসমিস তৈরি করা হয় এর কারনে কিশমিশের শাঁসের ঘনত্ব বেশি বলে ক্যালোরির পরিমাণও অনেকটা। কিশমিশের তুলনায় আঙুরে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম। প্রায় নেই বললেই চলে। এর জন্য শারীরিক বিভিন্ন ডায়েট এর ক্ষেত্রে কিসমিস এর তুলনায় আঙ্গুরের ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিশমিশের চেয়ে আঙুর অনেক বেশি উপকারী। তবে কিশমিশে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের পরিমাণ অনেক বেশি। শরীরের দূষিত পদার্থ বার করে দিতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট দারুণ কার্য়করী।কিসমিস না কি আঙ্গুর 2

পুষ্টিবিদ দের মতে আঙ্গুর ও কিসমিস এর পার্থক্য

আঙ্গুর এবং কিসমিস এই দুইটির মধ্যে খাদ্য গুনাগুন এবং পুষ্টি গুনাগুন বরাবরই আলাদা। পুষ্টিবিদদের মতে এর আলাদা আলাদা পুষ্টি গুনাগুন পাওয়া যায়। তবে বেশিরভাগ পুষ্টিবিদরা বলছেন, আঙুর বেশি উপকারী কারণ এতে জলের পরিমাণ অনেক বেশি। কারণ আমরা সকলেই জানি যে খাবারে জলের পরিমাণ বেশি সেটি মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

কিসমিস না কি আঙ্গুর

কিশমিশে জল নেই বললেই চলে। এ ছাড়াও আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, ই, সি, ভিটামিন বি১, বি২-এর মতো উপকারী পুষ্টিগুণ। কিশমিশ শরীরের বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি তৈরি করে

আজকের আমাদের আলোচনার মাধ্যমে আপনি হয়তো কিসমিস এবং আঙ্গুরের মধ্যবর্তী খাদ্যগুণাগুণ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেয়েছেন। আশা করি আপনারা আপনাদের প্রাত্যহিক জীবনে এই দুটি খাবারের নিয়ম মেনে চলবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.