Category: স্বাস্থ্য

যৌবন ধরে রাখতে কোন কোন খাবার খাওয়া প্রয়োজন

যৌবন ধরে রাখতে কোন কোন খাবার খাওয়া প্রয়োজন : যৌবন ধরে রাখতে মানুষ কত কিনা করে থাকে একেকজনের পদ্ধতি একেকরকম। কে না চায় যৌবন ধরে রাখতে। সকলেই চায় নিজের যৌবন ধরে রাখতে। যদি যৌবন ধরে রাখতে হয় তবে পুষ্টিকর খাবারের কোন বিকল্প নেই। সুতরাং আপনি যদি আপনার যৌবন বেশিদিন ধরে রাখতে চান তবে আপনার খাবার তালিকায় কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। Read in English

পুষ্টিকর খাবারের দিকে ভালোভাবে নজর দিলে নিজেদেরকে সুস্থ রাখা যাবে। আজ আমরা এমন কিছু খাবার নিয়ে আলোচনা করব যে খাবারগুলো খেলে আপনি আপনার যৌবন বেশিদিন ধরে রাখতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক যৌবন বেশি সময় ধরে রাখতে আমরা কি কি খেতে পারি।

এই গরমে আপনার ত্বকের বাড়তি যত্ন নিন খাবার ডাল দিয়ে

সামুদ্রিক মাছ

Untitled-design-7

যৌবন ধরে রাখতে সামুদ্রিক মাছের বিকল্প নেই। সামুদ্রিক মাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যৌবন ধরে রাখতে। অনেক সময় যৌবন ধরে রাখতে হলে আমাদের দৈনিক খাদ্য তালিকায় লাল শাক ও মাংসের পরিবর্তে সামুদ্রিক মাছ রাখা ভালো। সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের অভাব পূরণ করা যায়।

কলা

Untitled-design-8

কলাতে আছে প্রচুর ভিটামিন এ বি সি এবং পটাশিয়াম। পটাশিয়ামের অভাবে ত্বক অনেক রুক্ষ হয়ে যায় আমাদের দেহের ত্বকের রুক্ষতা দূর করার সাথে সাথে পটাশিয়ামের অভাব দূর করে

বাচ্চাদের মেধা বিকাশে কি ধরনের খাবার খাওয়াবেন

আবার কলাতে আছে ব্রো মোলিয়ান যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। কলায় ভিটামিন বিএবং পটাশিয়াম মানবদেহের যৌন রস উৎপাদন বা উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে

দ‌ই

Untitled-design-9

দই প্রায় সকলেরই পছন্দের একটি খাবার। দইয়ের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন। যা আমাদের শরীরের গঠন ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে। সেইসাথে যারা যৌবন ধরে রাখতে চায় তাদের নিয়মিত দই খাওয়া উচিত। দ‌ই খেলে যৌবন ধরে রাখা সম্ভব আবার দই কোলেস্টেরল ও ভুড়ি কমাতে সাহায্য করে।

তাছাড়াও দই ত্বককে দাগ মুক্ত রাখে এবং বয়স জনিত রোগ গুলো প্রতিরোধ করতে অনেক সাহায্য করে

পালং শাক

Untitled-design-10

পালং শাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন থাকে।যা শরীরের অনেক অসুবিধা দূর করে এবং পুষ্টির ও শক্তির যোগান দেয় এমনকি প্রায় প্রতিদিনই পালং শাক খাওয়ার ফলে ত্বকের এবং চোখের বয়স জনিত অনেক সমস্যা কমে আসে। আবার পালংশাকের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লুটেইন যা যৌবন ধরে রাখতে অনেকাংশে সাহায্য করে থাকে

অনলাইন থেকে টাকা আয়ের উপায়। বাড়িতে বসে আয় করুন

ফলমূল

Untitled-design-11

নিয়মিত ফলমূল খাওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ যৌবন ধরে রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এই উপাদানগুলো শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত উক্তি সমূহ

সবুজ শাকসবজি

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে যা শরীরের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখে এমনকি সবুজ শাকসবজি ও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যৌবন ধরে রাখতে

আমলা

Untitled-design-13

পুরুষের শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য আমলা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা থেকে আমলা কে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতার মূলমন্ত্র হিসেবে প্রমাণ করা হয় এসবের পাশাপাশি আমলা ও যৌবন ধরে রাখতে অনেকাংশে সাহায্য করে

পৃথিবীর জনপ্রিয় ১০টি খাবার

কমলালেবু

কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে এবং কমলা শরীরের জন্য অনেক উপকারী একটা ফল

রসুন

Untitled-design-12

রসুনে রয়েছে এলিসিন নামক একটি উপাদান যা ইন্দ্রিয় গুলোতে রক্তের প্রবাহের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে এবং যদি দেহের কোন সমস্যা থাকে তাহলে রসুন সেসব সমস্যা দূরও করে তাই রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে এতে যৌবনের পাশাপাশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও করা যাবে

গাজর ও টমেটো

টমেটো ও গাজর ত্বক ও শরীরের জন্য খুবই উপকারী উপাদান। গাজর ও টমেটোতে প্রচুর পরিমানে ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এছাড়াও বিটা ক্যারোটিন ও লুটেইনও থাকে। বিশেষ করে গাজর ও টমেটো যৌবন ধরে রাখার জন্য অনেক উপকারী একটি উপাদান

ডার্ক চকলেট

ডার্ক চকলেটে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরের জন্য পুষ্টি জোগাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাদের বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করে থাকি। এছাড়াও আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে শিক্ষামূলক সকল আপডেট সহ দেশবিদেশের সকল তথ্য জানতে পারবেন। তাছাড়া আপনি কোন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে আমাদের কমেন্টে কমেন্ট করে আমাদেরকে জানিয়ে দিতে পারেন। আমরা আপনার ওই বিষয়ের উপর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করব

গরমে সুস্থ থাকতে যা খাবেন। প্রচন্ড গরমে স্বাস্থ্যকর খাবার

গরমে সুস্থ থাকতে যা খাবেন: তীব্র দাবদাহে জনজীবন এখন অতিষ্ঠ। এই গরমে শরীরের নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে শুরু করে। আমাদের অবশ্যই এই সকল দিকে নজর দিতে হবে। এই গরমের সময় খাবার অনিয়ম করলে বিভিন্ন সমস্যায় ভুগতে পারেন। তাই অবশ্যই উচিত এই তীব্র গরমের মধ্যে খাবারের দিকে নজর দেওয়া। বেশ কিছু নিয়ম অনুসরণ করলে এবং সেই অনুযায়ী চললে আমরা এই গরমের সময়ও সুস্থ থাকতে পারি। আমাদের পাঠকদের জন্য আমরা আমাদের এই নিবন্ধের মাধ্যমে এই সকল তথ্য উল্লেখ করছি। Read in English

আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে যে সকল তথ্যগুলো আপনাদেরকে জানাবো সেগুলো অনুসরণ করলে অবশ্যই আপনারা এই তীব্র গরমের মধ্যে সুস্থ থাকতে পারবেন। যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী এই নিয়ম গুলো অনুসরণ করার চেষ্টা করুন। আশা করি এই গরমে আপনারা সুস্থ থাকবেন।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায় ( Online Earning Way)

চলুন তাহলে মূল আলোচনায় ফিরে আসা যাক এবং এই গরমে আমাদের শরীরে কি কি ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং কোন উপায়ের মাধ্যমে এই সমস্যাগুলো এড়িয়ে চলা সম্ভব সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। আশা করি সবার জন্য এই আলোচনাটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হবে।

SEE MORE

তীব্র গরমে যে সমস্যাগুলো হয়

তীব্র দাবদহে আমরা বিভিন্ন রকমের সমস্যায় ভুগতে পারি। অনেকেরই এই গরমের সময় ডায়রিয়া, আমাশয়, পানিশূন্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, এলার্জি, ত্বকে সমস্যা সহ ঘুমের ব্যাঘাত ও অবসাদগ্রস্ত তে ভুগতে দেখা যায়। এই গরমে প্রচুর পরিমাণ মাংস, তৈলাক্ত খাবার, ভাজাপোড়া বা প্রসেসড খাবার খেলে সেগুলো আমাদের শরীরে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এই সকল খাবার গুলো শরীরে গরম বাড়িয়ে তোলে এবং হজমে সমস্যা এসিডিটি সহ পেটে বিভিন্ন রকম সমস্যার তৈরি করে।গরমে সুস্থ থাকতে যা খাবেন-1

এই গরমের মধ্যে অবশ্যই আমাদের এই সকল সমস্যা গুলো থেকে বেঁচে থাকতে হবে। আর এই ধরনের সমস্যাগুলো থেকে বাঁচতে হলে অবশ্যই আমাদের কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে এবং সঠিক খাবার গ্রহণ করতে হবে। এই গরমে আমরা কি কি খাবার খাব এবং কি কি খাবার খাব না সে সংক্রান্ত তথ্যসমূহ নীচে বিস্তারিত ভাবে জানানো হলো।

গরমে সুস্থ থাকতে যা খাবেন

তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে যা খাবেন অথবা যেগুলো খাওয়াও প্রয়োজন সেই সংক্রান্ত তথ্য সমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো।

  • তীব্র গরমে অবশ্যই সকলকে পরিমিত পরিমানে পানি পান করতে হবে। এছাড়াও চিনি ছাড়া বা কম চিনি দিয়ে ফলের শরবত, ডাবের পানি, লেবুর শরবত সহ স্যালাইন ও গ্লুকোজ খাওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন ফল এর রস এবং স্যালাইন আমাদের শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া পানির চাহিদা পূরণ করে।
  • গরমে সুস্থ থাকতে হলে মৌসুমী ফল খেতে পারেন। এই গরমে আম, জাম, পাকা পেঁপে, তরমুজ ইত্যাদি সহজলভ্য। তবে ৪/৫ কোষের বেশি কাঁঠাল খাওয়া যাবে না। এবং বিকেলের পর কাঁঠাল না খাওয়াই উত্তম। পাকা কাঁঠাল শরীরে তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং পেট ফাঁপা এবং হজমে সমস্যা হতে পারে।
  • গরমে সুস্থ থাকতে হলে বেশি বেশি শাকসবজি খেতে হবে। বাজারে এখন লাউ, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, পটল, ধুন্দল ইত্যাদি সবজি পাওয়া যায়।
  • সকালের নাস্তায় দই-চিড়া খুব স্বাস্থ্যকর হতে পারে। দুপুর অথবা রাতের খাবার এর সাথে অবশ্যই সালাত হিসেবে সসা রাখবেন কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। বিকেলের নাস্তায় ফল অথবা লাচ্ছি খেতে পারেন এবং চেষ্টা করবেন রাতের খাবার যতটা সম্ভব হালকা করার। রাতে হালকা খাবার খেলে ঘুম ভালো হয়।

SEE MORE

তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে চাইলে অবশ্যই নিয়ম অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

গরমে সুস্থ থাকতে যা খাবেন না

তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই কিছু প্রকার খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে। গরমে সুস্থ থাকতে যা খাবেন শীর্ষক নিবন্ধের মাধ্যমে আমরা এ সকল তথ্যসমূহ আপনাকে জানাচ্ছি। গরমে সুস্থ থাকতে যা খাবেন

  • অবশ্যই ভাজাপোড়া বা তৈলাক্ত খাবার গরমে খাবেন না।
  • চা, কফি দিনে দুইবারের বেশি পান করবেন না। চাবা কফি শরীরে পানি শোষণ করে পানি শূন্যতা তৈরি করে।
  • কোমল পানীয় পান না করে ঘরে তৈরি ফলের রস বা শরবত খেতে পারেন।
  • অবশ্যই এই তীব্র গরমে মাংস কম এবং মাছ বেশি খাবেন, বেশি বেশি সবজি খান।

বৃষ্টির আগমুহূর্তে আকাশের রং কালো দেখায় কেন?

গরমে সুস্থ থাকতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই এই ধরনের খাবারগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।

SEE MORE

উপসংহার

বর্তমানের এই তীব্র গরমে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তীব্র গরম আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় যার ফলে সহজেই আমরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। এই গরমে সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই আমাদেরকে নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং কিছু খাবার ত্যাগ করতে হবে।

গরমে সুস্থ থাকতে যা খাবেন এবং যা খাবেন না সেগুলো আমাদের আজকের এই নিবন্ধের মাধ্যমে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করি সকলে আমাদের নিবন্ধ থেকে বিস্তারিত সকল তথ্যসমূহ জানতে পারবেন এবং নিজেকে সুস্থ রাখতে পারবেন। যেকোনো স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন

ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন: বলা হয়ে থাকে স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। আর তো আমাদের দৈহিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য ঘুমের গুরুত্ব অপরিহার্য। পর্যাপ্ত ঘুম এবং আরামদায়ক ঘুম আমাদের দেহকে তরতাজা এবং সতেজ করে তুলে। সাধারণভাবে স্বাস্থ্যকর ঘুম বা সুন্দর ঘুম বলতে প্রতি রাতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের ঘুমকে বুঝানো হয়ে থাকে। অনেকে ই এই এটিকে ঘুমের পরিমাণ হিসেবে ধরে নাই। সুস্বাস্থ্যের জন্য ঘুমের পরিমান অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সুস্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই সকলকে পরিমান মত ঘুমাতে হবে। Read in English

ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যসমূহ আজকের এই নিবন্ধের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানাবো। শরীর সুস্থ রাখার জন্য ভালো ঘুম অবশ্যই প্রয়োজনীয়। নিয়মিত আরামদায়ক এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘুম আমাদের শরীর সুন্দর এবং ভালো রাখে। আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন সেই দিকে। আপনি যদি এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য আগ্রহী হন তাহলে অবশ্যই আপনাকে সম্পূর্ণভাবে আমাদের এই নিবন্ধটি পড়তে হবে।

বৃষ্টির আগমুহূর্তে আকাশের রং কালো দেখায় কেন?

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে এই নিবন্ধটি পড়লে আপনি ভালো ঘুম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যসমূহ জেনে নিতে পারবেন। তাহলে চলুন ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন এবং ভালো ঘুম কিভাবে আমাদের শরীর সুন্দর রাখতে সাহায্য করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেই।

ঘুমের পরিমাণ বলতে কী বোঝায়?

প্রতিদিন রাতে আপনি কতটুকু ঘুমান সেটিকেই ঘুমের পরিমাণ বলা হয়। অবশ্যই সকল মানুষকে প্রতিদিন অর্থাৎ ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুমাতে হবে। বয়স ভেদে অবশ্য মানুষের ঘুমের সময় তারতম্য হয়। এই নির্দিষ্ট পরিবার ঘুমালে এবং আরামদায়ক ঘুম হলে একজন মানুষ সুস্থ এবং সুন্দর জীবন যাপন করতে পারে। বয়স ভেদে মানুষের যে পরিমাণ ঘুমানো উচিত তা নিচে উল্লেখ করা হলো।

বয়স : ঘুমের চাহিদা (২৪ ঘণ্টায়)

নবজাতক (০-৩ মাস) : ১৪-১৭ ঘণ্টা

শিশু (৪-১২ মাস) : ১২-১৬ ঘণ্টা

বাচ্চা (১-২ বছর) : ১১-১৪ ঘণ্টা

প্রি-স্কুল (৩-৫ বছর) : ১০-১৩ ঘণ্টা

স্কুল বয়সের শিশু (৬-১২ বছর) : ৯-১২ ঘণ্টা

কিশোর (১৩-১৮ বছর) : ৮-১০ ঘণ্টা

প্রাপ্তবয়স্ক (১৮-৬৪ বছর) : প্রতি রাতে ৭-৯ ঘণ্টা

প্রাপ্তবয়স্ক (৬৫+ বছর) : প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা

ওপরে শুধুমাত্র একটি সাধারণ নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। অনেকের ক্ষেত্রেই এই তালিকার পরিবর্তন ঘটতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে এই তালিকার চেয়ে কম বা বেশি ঘুমের প্রয়োজন হয়। এই ব্যতিক্রমগুলো বাদ দিলেও দেখা যায় যে বেশিরভাগ মানুষই পরিমাণ মতো ঘুমায় না। পরিসংখ্যানে দেখা যায় প্রায় 40 থেকে 50 শতাংশ মানুষ পরিমাণ মতো না ঘুমানোর ফলে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা, কর্ম ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা এবং জটিল রোগের ছবিগুলো তৈরি হয়। অপর্যাপ তো ঘুমের প্রভাব সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কের উপর আঘাত হানে।

SEE MORE

ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন

ঘুমের গুণগত মান যত উৎকৃষ্ট হবে ঘুম তত ভালো হবে অর্থাৎ আমাদের ঘুমের গুণগত মান অবশ্যই ভালো হওয়া প্রয়োজন। সঠিক ঘুম এর জন্য মোট পাঁচটি উপকরণ রয়েছে। ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন বা ভালো ঘুমের জন্য যে উপকরণ গুলো প্রয়োজন সেগুলো নিচে দেওয়া হল।ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায় ( Online Earning Way)

ঘুমিয়ে পড়ার সময়: আপনি কত সহজে এবং কত দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ বিছানায় যাওয়ার বিশ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়তে পারে।

ঘুমের কার্যকারিতা: ঘুমের কার্যকারিতা হল আপনি কতটা সময় ঘুমিয়েছেন বনাম আপনি কতটা সময় ঘুমানোর জন্য বিছানায় কাটিয়েছেন। সঠিক মানের ঘুমের জন্য কার্যকারিতা অবশ্যই ৮৫ শতাংশ হতে হবে।

ঘুমের ধারাবাহিকতা: একবার ঘুমিয়ে পড়লে একটানা ঘুমিয়ে থাকা যে ক্ষমতা সেটাই হচ্ছে ঘুমের ধারাবাহিকতা। ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন তার মধ্যে ঘুমের ধারাবাহিকতা অন্যতম।

ঘুমের সময়: ঘুমের সময় বলতে নির্দিষ্ট সময় ঘুমানো কে বোঝায়। অবশ্য সকলের উচিত প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমিয়ে পড়া এবং নির্দিষ্ট সময় ঘুম থেকে জেগে ওঠা।

ঘুমের তৃপ্তি: ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ লাগা এবং সারাদিন কর্মঠ থাকা। এই মানদণ্ড হিসেব করে ঘুমের তৃপ্তি পরিমাপ করা হয়।

SEE MORE

আরামদায়ক ঘুমের চিহ্ন

রাতের আরামদায়ক ঘুমের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর কিছু ঘুমের চিহ্ন রয়েছে। এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর ঘুমের চিহ্নগুলো হল আরামদায়ক ঘুমের চিহ্ন

  • সকালে ঘুম থেকে উঠেই ফ্রেশ লাগা
  • সারাদিন কর্মঠ থাকা
  • ভালো মেজাজে থাকা
  • মাথা পরিষ্কার থাকা

এছাড়াও ভালো ও স্বাস্থ্যকর ঘুম পেতে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে।

  • ঘুমের সমস্যা নির্ণয়
  • জীবনযাত্রা পরিবর্তন
  • ঘুমের সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করা
  • ঘুমানোর সময় স্মার্ট ফোন থেকে দূরে থাকা

এইগুলো নিশ্চিত করতে পারলে ভালো ঘুম আসা সম্ভব। অবশ্যই ভালো ঘুমানোর জন্য সকলকে এই সকল তথ্যগুলো মেনে চলতে হবে।

SEE MORE

উপসংহার

ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন, ভালো ঘুম বলতে কী বোঝায়, কিভাবে ভাল ঘুমানো যায় সংক্রান্ত ইত্যাদি তথ্যসমূহ আমাদের এই নিবন্ধে বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের পার্থক্য এই নিবন্ধ থেকে ভালো ঘুম সম্পর্কিত সকল তথ্য সহজেই জানতে পারবেন। আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার জন্য অনেক প্রয়োজনীয় হবে।

আজকের এই আলোচনা কোন অংশ বস্তু সমস্যা হলে অথবা আলোচনা সম্পর্কে তো যেকোন তথ্য জানতে চাইলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন। আমাদের সাথে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

তীব্র গরমে মাথা ব্যাথার কারণ এবং করণীয়

তীব্র গরমে মাথা ব্যাথার কারণ: বর্তমানে সারা দেশ জুড়ে তীব্র দাবদাহ চলছে। প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়ছে। যাদের মাথা ব্যথা অর্থাৎ মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এই প্রচন্ড গরম, করা রোদ এবং আদ্র আবহাওয়া খুবই কষ্টের। এছাড়াও যারা মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগেন না তাদের ক্ষেত্রেও প্রচন্ড গরমে মাথা ব্যাথা অনেক বড় একটি সমস্যা তৈরি করতে পারে। Read in English

অতিরিক্ত রোদ এবং আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে সকল বয়সী মানুষের মাথাব্যথার সমস্যাটি তৈরি হতে পারে। তীব্র গরমে মাথা ব্যাথার কারণ এই মাথাব্যথা শুরু হলে কি করনীয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যসমূহ আমাদের এই নিবন্ধের মাধ্যমে জানানোর চেষ্টা করেছি। আমরা তীব্র গরমের মধ্যে মাথা ব্যাথা সংক্রান্ত সমস্যায় অনেক সময় ভুগে থাকি। কিছু কারণে এ ধরনের সমস্যাগুলো হয়ে ওঠে।

বৃষ্টির আগমুহূর্তে আকাশের রং কালো দেখায় কেন?

তীব্র মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পেতে হলে অবশ্যই আমাদের কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে কিছু কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। তীব্র গরমে মাথা ব্যাথার কারণ ও করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যসমূহ আমাদের এই নিবন্ধের মাধ্যমে জানাবো। আজকের এই আলোচনাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং তীব্র গরমে মাথা ব্যাথার কারণ ও তার প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যসমূহ জেনে।

SEE MORE

তীব্র গরমে মাথা ব্যাথার কারণ

তীব্র দাবদাহ এর মধ্যে বিভিন্ন কারণে আমাদের মাথা ব্যথা শুরু হতে পারে। আমাদের আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে মাথা ব্যথা শুরু হবার কিছু কারণ গুলো উল্লেখ করা হলো।তীব্র গরমে মাথা ব্যাথার কারণ-1

  • তীব্র গরমের মধ্যে সঠিক পুষ্টি এবং শরীরে পানি শূন্যতার কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে।
  • স্ট্রেস ও টেনশন এর কারনেও মাথা ব্যথা হতে পারে।
  • গরমে আক্রান্ত হয়ে মাথা ব্যাথা শুরু হতে পারে অথবা সূর্যের তীব্র আলো চোখে পড়লে মাথা ব্যাথা শুরু হয়।
  • পানি শূন্যতা এবং ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতার কারণে মাথাব্যথা শুরু হতে পারে।
  • বিভিন্ন কারণে সাধারণত আমাদের গরমে ঘুম আসতে চায় না। গরমে ঘুম না আসা মাইগ্রেনের মাথাব্যথা কে আরো বাড়িয়ে দেয়। মাইগ্রেনের মাথাব্যথার সাথে চোখে ব্যথা বমি ভাব ইত্যাদি পরিস্থিতি শুরু হতে পারে।

এ সকল কারণগুলোর জন্য অনেক সময় আমাদের মাথা ব্যাথা শুরু হয়। কোনভাবে যদি আমরা এগুলোকে রোধ করতে পারি তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই মাইগ্রেনের মাথাব্যথা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

SEE MORE

মাথা ব্যাথা থেকে রক্ষা পেতে করণীয়

তীব্র গরমে বিভিন্ন কারণে আমাদের মাইগ্রেন অথবা মাথা ব্যথার সমস্যা হতে পারে। যে সকল কারণে সাধারণত মাথা ব্যথা হয় তা আমরা উপরে আলোচনার মাধ্যমে উল্লেখ করেছি। আলোচনার এই অংশে আমরা আপনাদেরকে জানাবো কোন পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনারা এ ধরনের সমস্যা গুলো থেকে রক্ষা পেতে পারেন।

  • মাইগ্রেনের সমস্যা দূর করার চেয়ে সর্বপ্রথমে আমাদেরকে সেটির কারণ খুঁজে বের করতে হবে। মাইগ্রেন থেকে রক্ষা পেতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে একটি মাইগ্রেন ডায়েরি মেনে চলতে হবে। কবে কোথায় কখন মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে এবং ওইদিন আপনি কি কি খেয়েছিলেন বা করেছিলেন সেগুলো লিখে রাখবেন। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন আসলে নির্দিষ্ট কোন খাবার বা রোদের কারণে মাথাব্যথা হচ্ছে কিনা।
  • মাথাব্যথা থেকে রক্ষা পেতে অবশ্যই নিয়ম মত খাবার খেতে হবে। খাবারের সময়সূচি যে কোনভাবে মেইন্টেন করে চলতে হবে।
  • কিছু কিছু ঔষধমুক্ত তেল মাথা ব্যাথা সারাতে সাহায্য করে। মাথাব্যথা থেকে রক্ষা পেতে পিপারমিন্ট তেল ব্যবহার করতে পারেন।
  • গরমের সময় ডায়েটে ফল সবজি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন খেতে হবে।
  • কম চিনি অথবা চিনি ছাড়াই লেবু পানি শরবত ডাবের পানি এবং যথেষ্ট পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে তিন লিটার পানি পান করতে হবে।
  • এক বালতি ঠান্ডা পানিতে পাঁচ থেকে দশ মিনিট দুই পেট ডুবিয়ে রাখতে পারেন। এতে উপকার পাবেন।
  • অনেক সময় স্ট্রেস বা টেনশনের কারণেও মাথা ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে ম্যাসাজ করলে বেশি টান দূর হয় এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ে যার ফলে মাথাব্যথা অনেক ক্ষেত্রে কমে আসে।
  • একদম অন্ধকার ঘরে চোখ বন্ধ করে নীরবতা পালন করুন। এভাবে ব্যাথার তীব্রতা কমতে পারে।
  • অতিরিক্ত ব্যথা হলে অবশ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

SEE MORE

  • Intense-Heat-Causes-Headache

আশা করি আপনারা যদি এই পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করতে পারেন তাহলে মাইগ্রেনের মাথাব্যথা থেকে অনেক ক্ষেত্রে মুক্তি পাবেন।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায় ( Online Earning Way)

উপসংহার

তীব্র গরমে মাথা ব্যাথার কারণ এবং এর থেকে মুক্তি পেতে কি করনীয় সেই তথ্যসমূহ আমাদের এই নিবন্ধের মাধ্যমে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করছি সকলেই আমাদের এই নিবন্ধ থেকে আপনাদের প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পেরেছেন। মাথা ব্যাথা সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সমাধান আশা করি এই নিবন্ধ থেকে আপনারা পেয়ে যাবেন।

আলোচনা সম্পর্কিত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে অথবা আলোচনার কোন তথ্য বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানাবেন। আমরা আপনাদের সকল প্রকার সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব। আমাদের সাথে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

সব খেয়েও ডায়েট করার উপায়

সব খেয়েও ডায়েট করার উপায়: বর্তমান সময়ে সকলেই তাদের শরীর নিয়ে বিশেষ চিন্তিত থাকেন। অনেকেই বিভিন্ন প্রকার ডায়েট মেনে চলেন। আচ্ছা সবকিছু খেয়েও কি ডায়েট করা যায়। আমরা অনেকেই ডায়েটের নামে খাদ্য তালিকা থেকে সকল খাবারই বাদ দিয়ে ফেলি। ওজন বাড়ার ভয়ে পছন্দের খাবারগুলো খেতে পারি না। তবে এইগুলো করা কখনোই উচিত নয়। কারণ একবারেই খাওয়া বন্ধ করে দিলে তা আমাদের শরীরের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। Read in English

সকল খাবার বাদ দিয়ে ডায়ে ট করলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তাই আমাদের উচিত খাওয়ার পরিমান কমিয়ে দেওয়া। খাবার পরিমান কমিয়ে দিলে আমাদের ওজন এবং স্বাস্থ্য দুটি ভালো রাখা সম্ভব। আমাদের আজকের এই আলোচনার মূল বিষয় হলো সব খেয়েও ডায়েট করার উপায়। কিভাবে আমরা সকল প্রকার খাদ্য খেলেও ডায়েট কন্ট্রোল করতে পারি সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যসমূহ আমাদের আজকের এই নিবন্ধের মাধ্যমে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। সব খেয়েও ডায়েট করার উপায় সমস সম্পর্কে জানতে হলে অবশ্যই আপনি আমাদের এই নিবন্ধটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায় ( Online Earning Way)

যেভাবে আপনারা সকল খাবার খেয়ে ডায়েট কন্ট্রোল করতে পারবেন সেই সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যসমূহ আমাদের এই নিবন্ধের মাধ্যমে জানাচ্ছি।

সব খেয়েও ডায়েট করার উপায়

সব ধরনের খাবার খেয়েও ডায়েট করা সম্ভব। শরীর সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে হলে অবশ্যই একবারে খাবার খাওয়া বাদ দেয়া যাবে না। সব খেয়েও ডায়েট করার উপায় গুলো জানতে হলে অবশ্যই আপনাকে খাবারের ক্যালরি ব্যালেন্স করা শিখতে হবে। আপনার সারাদিনে কত ক্যালরি প্রয়োজন তা নির্ধারণ করুন। ক্যালরি ব্যালেন্স করে চলতে শিখলে সব খেয়েও ডায়েট কন্ট্রোল করা সম্ভব।

SEE MORE

যদি দুপুরে কোন স্থানে দাওয়াত থাকে তাহলে অবশ্যই সকালে এবং রাতে কম ক্যালভির খাবার গ্রহণ করুন। বিকেলে নাস্তা বাইরে কোথাও সেরে ফেললে রাতের খাবার একদম সাধারণ করে ফেলুন। দেহের প্রয়োজনীয় ভারসাম্য বজায় রেখে ক্যালোরি গ্রহণ করা শিখতে পারলে আপনার শরীর ডায়েট ছাড়াও সুন্দর হবে। ক্যালরি ভাগ করে নেয়া শিখতে হলে অবশ্যই প্রথমে একজন ডায়েটিশিয়ান এর সাথে আলোচনা করবেন।সব খেয়েও ডায়েট করার উপায়-2

আপনার পছন্দের খাবারগুলো অনুযায়ী ডায়েটিেশিয়ানের থেকে একটি তালিকা তৈরি করে নিতে পারেন। সেই তালিকা অনুযায়ী খাবার গ্রহণ শুরু করলে সব খাবার খেয়েও ডায়েট কন্ট্রোল করতে পারবেন।

বাসায় খাবার বানান

আপনার পছন্দের খাবারগুলো অর্থাৎ যে খাবারগুলো আপনি খেতে খুব পছন্দ করেন সেগুলো বাইরে থেকে না কিনে বাড়িতে তৈরি করার চেষ্টা করুন। এর মাধ্যমে আপনি কিছু ক্যালরি কমাতে পারবেন এবং এই সকল খাবার থেকে খাদ্য ঝুঁকিও কমে যাবে। বেশিরভাগ সময়ে বাইরের তৈরি খাবারগুলোতে বিভিন্ন রকমের রং টেস্টিং সল সহ ক্ষতিকর উপকরণ মিশে আকর্ষণীয় করা হয়।

অনেক ক্ষেত্রে একই তেল বারবার ব্যবহার করা হয়। যাতে প্রচুর পরিমাণে স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। এই খাবার গুলো বাসায় বানিয়ে বা ভালোভাবে রান্না করলে অনেক ক্যালরি কমিয়ে ফেলা সম্ভব এবং তেলের পরিমাণ ব্যালেন্স করা সম্ভব।

SEE MORE

রান্নার পরিবর্তন ঘটিয়ে ডায়েট কন্ট্রোল

রান্নার মধ্যে পরিবর্তন এনে অস্বাস্থ্যকর খাবার কেউ স্বাস্থ্যকর করে তোলা সম্ভব। আমরা অনেক সময় কিছু খাবারকে ডুবো তেলে ভেজে থাকি। এ সকল খাবারগুলোকে ডুবো তেলে না ভেজে কম তেলে খায় বা গ্রিল করা সম্ভব। আজকাল ডুবো তেলে ভাজা খাবারগুলো তেল ছাড়া এয়ার ফেয়ার করেও ভেজে নেওয়া যায়। মাছ-মাংসকে বেশি তেলে রান্না না করে কম তেল মসলায় রান্না করা যেতে পারে।

রান্নার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটিয়ে একই খাবারের অনেক ক্যালরি কমানো সম্ভব হয়। মাছ বা মাংস রান্নার ক্ষেত্রে রান্নার পূর্বে ৫ থেকে ১০ মিনিট সেদ্ধ করে তা নিয়ে ঝরিয়ে নিতে পারেন। এভাবে মাংস থেকে চর্বি অনেকটা কমে যাবে। রান্নার সময় ভিনেগার টক দই পেঁপে বাটা এবং লেবুর রস ব্যবহার করে চর্বির ক্ষতিকার প্রভাব কমাতে পারেন। মাংসের সঙ্গে বিভিন্ন কাঁচা সবজি ব্যবহার করে রান্না করলে লাল মাংসের ঝুমকি কমে আসে।

পরিমাণ মত খাবার গ্রহণ করুন

যে কোন অবস্থাতে পরিমাণমতো খাবার গ্রহণের অভ্যাস করে তুলতে হবে। কোন পরিস্থিতিতে ই মাত্র অতিরিক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। যত ভালো বা যত সাদেরি খাবার হোক না কেন একে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার গ্রহণ করতে হবে। কোন জায়গায় দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ি থেকে অল্প কিছু খেয়ে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। বাড়িতে স্বাস্থ্যকর কিছু খেয়ে গেলে বাইরে অস্বাস্থ্যকর খাবার গুলো আপনি কম খাবেন। সব খেয়েও ডায়েট করার উপায়-1

SEE MORE

বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় এক মুঠো বাদাম অথবা এক বাটি সালাত খেতে পারেন। এর ফলে আপনার ইচ্ছা করলেও বাইরে গিয়ে অস্বাস্থ্যকর খাবার অতিরিক্ত গ্রহণ করতে পারবেন না।

বৃষ্টির আগমুহূর্তে আকাশের রং কালো দেখায় কেন?

উপসংহার

সব খেয়েও ডায়েট করার উপায়, কিভাবে নিজের পছন্দের খাবারগুলো খেয়েও ডায়েট করা সম্ভব বা প্রতিদিনের মতো সকল খাবার খেয়ে কিভাবে ডায়েট করতে পারবেন সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যাদি আমাদের এ নিবন্ধের মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করি আপনারা আমাদের এই আলোচনা থেকে আপনাদের প্রয়োজনমতো সকল তথ্য সমূহ সংগ্রহ করে নিতে পারবেন।

এই আলোচনার কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হলে অথবা আলোচনা সম্পর্কিত কোন তথ্য জানতে চাইলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের। আমরা আপনাকে সকল প্রকার তথ্য জানানোর চেষ্টা করব। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অথবা দৈনন্দিন জীবনযাপন সম্পর্কিত যে কোন তথ্য জানতে চাইলে আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা আপনাদেরকে সাধ্যমত চেষ্টা করব।

টিউমার এবং ক্যান্সারের মধ্যে পার্থক্য

টিউমার এবং ক্যান্সারের মধ্যে পার্থক্য : টিউমার এমন একটি শব্দ যা শুনলে মানুষে মনে করে যে এটি এক ধরনের ক্যান্সার, আবার ক্যান্সার শুনলে মানুষ ঠিক একই জিনিস মনে করে অর্থাৎ মনে করে যে টিউমার। যেমন অনেক মানুষই বলে- ব্রেইন টিউমার হয়েছে কিংবা ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে! কিন্তু আসলে কি দুটি একই! মোটেও নয়। যেমন আসলে ব্রেস্ট টিউমার অথবা ব্রেস্ট ক্যান্সার, দুটো কিন্তু একই নয়। Read in English

টিউমার হচ্ছে কিছু অস্বাভাবিক টিস্যুর সমাবেশ বা গুচ্ছ বা সারি, যেখানে অনেক গুলো কোষ অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যা বৃদ্ধি করে থাকে। আর টিস্যু মানে হচ্ছে একই ধরনের কিছু কোষ যা কোথাও এক হয়ে একই ধরনের কাজ করে।

‘ডা. অপূর্ব চৌধুরী -এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছেন।

মানবদেহের শরীরে অনেক কোষ আছে যা গুনে শেষ করা যাবে না তবে বলা যায় বিলিয়ন নয়, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কোষ আছে। মনে করা হয় একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকতে পারে । তবে জন্মের সময় এ সংখ্যা দাঁড়িয়ে চার শতাংশের এক শতাংশ থাকে। কোষের ভেতর কিছু কোষ মরে যায় পুরনো নিয়মে, নতুন কোষও জন্ম নেয়, আবার কিছু সংখ্যক কোষ সাইজেও বাড়ে, এমনকি কিছু সংখ্যক কোষ সংখ্যায় বাড়ে। কিন্তু আসলে কোন কোষ মরে যাবে এবং কোন কোষ কতগুলো নতুন কোষ জন্ম দিতে পারবে বা কোন কোষের সাইজ কেমন হবে অর্থাৎ কোষের এমন সব বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কোষের ভেতর কিছু নির্দেশ বা নিয়ম থাকে।

এই গরমে আপনার ত্বকের বাড়তি যত্ন নিন খাবার ডাল দিয়ে

আর সে নিয়মগুলো এমনি এমনি থাকে না থাকে ডি এন এ -তে। কোনো কারণে যদি ডি এন এ-এর মধ্যে থাকা এ নির্দেশ প্রক্রিয়া পরিবর্তন হয়ে যায় তবে কোষগুলো তখন অস্বাভাবিকভাবে নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে, নতুন জন্ম নেওয়া কোষগুলো কাজবিহীন ঘুরে বেড়ায় এমনকি পুরনো কোষ মরে না গিয়ে হ-য-ব-র-ল ভাবে ঘুরতে থাকে।

কারণ কোষগুলোতে কোথায় গিয়ে থামতে হবে তার নির্দেশ থাকে না বা কী কাজ করবে তার নির্দেশটিও পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন পরিবর্তিত ডি এন এ-এর নির্দেশে রোবটের মতো একের পর এক এক করে নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে তখন নতুন অস্বাভাবিক কোষের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে অনেক বেড়ে গিয়ে স্বাভাবিক কোষের কাজে ব্যাঘাত ঘটায় ফেলে। বুড়ো কোষগুলোর অস্তিত্ত্ব প্রক্রিয়া থেমে গিয়ে শরীরে আবর্জনার মতো জমা হতে থাকে ।

টিউমার এবং ক্যান্সারের মধ্যে পার্থক্য

তখন শরীরের এই অতিরিক্ত এবং অস্বাভাবিক কোষগুলো কোথাও জমা হয়ে গিয়ে একটি ল্যাম্প বা প্লি বা চাকতির মতো হয়ে প্রকাশ পেয়ে যায়। এই চাকতির প্রকাশ পেলে তখন তাকে টিউমার বলে।

এ টিউমার আবার দু’ধরনের হয়। এক ধরনের টিউমার হয় শুধু এক জায়গাতে বৃদ্ধি পেয়ে এক জায়গাতেই বসে থাকার জন্য, এদের আবার বলে বিনাইন টিউমার। এরা আসলে তেমন ক্ষতিকারক নয়। আর আরেক প্রকার টিউমারের ভেতরে থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্ত কিংবা লিম্ফ্ নামক কিছু রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে শরীরের অন্য কোনো অংশে গিয়ে জমা হয়ে সেই অংশের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটায় থাকে তখন নতুন কোনো টিউমার তৈরি করে ফেলে সেখানে, তখন তাদেরকে বলা হয়ে থাকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। এ ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকে অন্যভাবেও বলে থাকে তা হলো ক্যান্সারাস টিউমার। কাজের সুবিধায় সংক্ষেপে আসলে ক্যান্সার বলা হয়ে থাকে।

বাচ্চাদের মেধা বিকাশে কি ধরনের খাবার খাওয়াবেন

বলা যায় মানবদেহে শরীরে প্রায় ২০০ ধরনেরও বেশি ক্যান্সার জাতীয় সমস্যা আছে। ক্যান্সার হলো মূলত শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সমস্যার একটি সমষ্টি। তবে এর শুরুটা অবশ্য শরীরের কোনো একটি নির্দিষ্ট অংশে হয়। তারপর যখন সেটি আস্তে আস্তে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে, তখন শুধুমাত্র তাকে ক্যান্সার বলে।

অনেক মহিলার যেমন ব্রেস্টের যে কোনো দিকে সময়ে সময়ে ল্যাম্প বা চাকতির মতো বা পিণ্ডের মতো কিছু দেখা দিতে পারে। এ বাড়তি প্লিটি কেবল একটি টিউমারেই হতে পারে। এটিকে ভুল করেও ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যাবে না। কারণ চিকিৎসকরা এমন বাড়তি কোষের সমাবেশ কে নিয়ে বলেছেন যে এমন বাড়তি কোষের সমাবেশ যদি কোথাও হয় প্রথমে তার সিটি স্ক্যান কিংবা এম.আর.আই করে নিশ্চিত হতে হবে যে এটি কেবল টিউমার কিনা। তারপর সেখান থেকে কিছু কোষ বায়োপসির নামক পরীক্ষার মাধ্যমে মাইক্রোস্কোপের নিচে রেখে কোষগুলো পরীক্ষা করে দেখে নিশ্চিত হিয়ে যান যে কোষগুলো ক্যান্সার জাতীয় কোষ কিনা।

অনলাইন থেকে টাকা আয়ের উপায়। বাড়িতে বসে আয় করুন

তখন যদি তেমন পরিবর্তন দেখা যায় তবে তাকে ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যায়। শুধু এমন টিউমার হলেই প্রথমে কেবলমাত্র ওষুধ দিয়ে চেষ্টা করতে হবে, তা না হলে তারপর অপারেশন করে সেই বাড়তি অংশটি কেটে ফেলে টিউমারের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। তখন সেই টিউমার যদি শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে যায়।

টিউমার এবং ক্যান্সারের মধ্যে পার্থক্য

আর শরীরে আরও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করে। তখন যে অংশটিতে টিউমারটি হয়েছে সেটি অবশ্যই প্রথমে অপারেশন করে কেটে ফেলার দরকার বা ওই অবস্থায় থাকলে কেটে ফেলে দিতে হয়, এমনকি সঙ্গে সঙ্গে শরীরের অন্য অংশগুলোতে ছড়িয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক ক্যান্সার কোষগুলোকে মেরে ফেলা যায় অথবা তারা যাতে আর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে না পারে, সেটা থামিয়ে দেওয়ার জন্য কিছু কেমিক্যালের মাধ্যমে কেমোথেরাপি এবং কিছু রে বা রশ্মির মাধ্যমে রেডিওথেরাপি দিয়ে ক্যান্সারটির চিকিৎসা করার চেষ্টা করা হয়। এখন তাহলে বুঝায় যাচ্ছে যে নিশ্চয়ই কারও টিউমার হলেই ক্যান্সার হয়েছে, এমনটি বলা যাবে না এবং ভাবাও যাবে না।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত উক্তি সমূহ

অবশ্য বর্তমানে দুটোরই চিকিৎসা আছে। তবে টিউমার বা ক্যান্সার হওয়া মানেই কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু নয়। আসলে ক্যান্সার বা টিউমার শরীরের অন্য হাজার রোগের মতোই একটি রোগ বা সমস্যা বলা চলে। বরং শরীরের কোথাও এমন বাড়তি কোন মাংস প্লি, যেটা কিনা কোনো কারণ ছাড়াই অনেকদিন ধরে অস্বাভাবিকভাবে শরীরের ওজন কমে যাওয়া বা দীর্ঘদিন কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় দুর্বল অনুভব করা বা এমন সব কমন কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে বিশেষজ্ঞ নির্দেশ মত অনুসরণ করা।

টিউমারের মধ্যে থাকা কিছু অস্বাভাবিক কোষগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশে গিয়ে কখনো কখনো নতুন টিউমার হতে পারে, আবার কখনো কখনো কেবল সেখানকার অন্য কোষগুলোর কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আবার এমন করে না ছড়িয়ে পড়া বিনাইন টিউমারগুলো যখন শরীরের অন্য যে কোথাও ছড়িয়ে গিয়ে সমস্যা তৈরি করে থাকে।সেই ম্যালিগন্যান্ট টিউমারগুলোই মূলত বেশিরভাগ ক্যান্সারের জন্য দায়ী বলা হয়ে থাকে। তখন তার তৈরি করা সমস্যাগুলোকে অনেক সহজ করে কেবল ক্যান্সার বলে। এ ক্ষেত্রে যে অঙ্গ বা যে অংশ থেকে কোষের পরিবর্তনের শুরু হয়, তখন তাকে ওই পার্টের ক্যান্সার বলে থাকে।

পৃথিবীর জনপ্রিয় ১০টি খাবার

আবার কিছু কিছু ব্যতিক্রম আছে। যেমন- ব্লাড ক্যান্সার, লিউকেমিয়া ইত্যাদি ইত্যাদি । এক্ষেত্রে রক্তের স্বাভাবিক কোষগুলোর চেয়ে অস্বাভাবিক কোষগুলোতে রক্তে বেশি থেকে রক্তকে তার স্বাভাবিক কাজ গুলো করতে দেয় না, তখন রক্তে কোনো আলাদা টিউমার দেখা দেয় না।

তার মানে এটাই যে সব টিউমার ক্যান্সার নয় বা ক্যান্সার হয়ে থাকে না। কিছু কিছু টিউমার কেবল ক্যান্সার, তবে যখন সেই টিউমারগুলোর মধ্যে থাকা কোষগুলো শরীরের অন্য যে অংশে গিয়ে আরও নতুন টিউমার বা কাজে সমস্যা তৈরি করে। কিন্তু সব ক্যান্সার টিউমার নয়, কারন যেখানে অস্বাভাবিক কোষগুলো টিস্যু আকারে কোথাও জমাট বেঁধে প্রকাশ পায়। তখন টিউমার হয় না যেমন ব্লাড ক্যান্সারে এমন টিউমার হয় না।

হঠাৎ করে হাড় ব্যথা হলে আপনি কি করবেন?

হঠাৎ করে হাড় ব্যথা হলে আপনি কি করবেন? হাড় ব্যথা কেন হয়? হাড় ব্যথায় আপনি কি করবেন এ সকল প্রশ্নের উত্তর আপনি এই প্রশ্নের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন। সুতরাং আমাদের এই পোষ্টের সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ুন। Read in English

হাড়ব্যথা কোন রোগ নয়, এটা নানা রোগের এক প্রকারের উপসর্গ। হাড়ের বাইরের স্নায়ু সংবেদনশীল আবরণ পেরিওসটিয়াম আক্রান্ত হওয়ায় অধিকাংশ ব্যথায় হয় । পর্যাপ্ত স্নায়ু থাকে বলে সবচেয়ে বেশি ব্যথা হয় মেরুদণ্ডের হাড়ে অর্থাৎ কশেরুকা। কখনো হাড় অকেজো হলে যেমন অস্টিওনেকরোসিস হলে হাড়ের ভেতরের আবরণ বা এনডোসটিয়ামের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়, কারন কিছু কিছু ক্ষেত্রে হাড়ের গঠন দুর্বল থাকে, যেমন অস্টিওমালাসিয়া । এর ফলে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।

মানুষ ব্যতীত অন্য প্রাণীরাও কি স্বপ্ন দেখে?

ধরন

আসলে বিভিন্ন হাড়ে বিভিন্ন উপসর্গসহ বিভিন্ন রোগের কারণে ব্যথা হতেই পারে।

হঠাৎ করে হাড় ব্যথা হলে আপনি কি করবেন

  • হাঁটা ও দৌড়ানো,অতিরিক্ত কাজ, খেলাধুলা এবং প্রশিক্ষণ পর পায়ের টিবিয়া হাড়ে স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের জন্যও ব্যথা হতে পারে।
  • জোড়ার সাইনোভাইটিস এর নিকটবর্তী হাড়কে ব্যথায় আক্রান্ত করে। এ ছাড়া জোড়ার অস্থিতিশীলতা যেমন স্থানচ্যুতি বা স্থানচ্যুতির প্রবণতা এবং অভ্যন্তরীণ অসামঞ্জস্যের যেমন পেশি, লিগামেন্ট ও মেনিসকাস ইনজুরি কারণেও নিকটবর্তী হাড়ে অনেকসময় ব্যথা হতে পারে।

রমজান মাসের ফজিলত ও মর্যাদা

  • অল্প আঘাতেই হাড় ভেঙে যায় অস্টিওপোরোসিস হলে; তখন অনেক ব্যথা হয়।
  • অস্টিওআর্থ্রাইটিসে অতিরিক্ত হাড় যদি বাইরের সংবেদনশীল আবরণে হয় তখন প্রদাহ ঘটায়।
  • হাড় বেঁকে যায় ও ব্যথা হয় কারন অস্টিওমালাসিয়ায় আক্রান্ত রোগীর হাড় নরম হয় অনেক ।

হঠাৎ করে হাড় ব্যথা হলে আপনি কি করবেন

সতর্কতা

হাড়ব্যথার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক অবসাদ ও ওজন যদি কমতে থাকে তাহলে কোনো ক্যানসার আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে অবশ্যই।

  • যদি শিশুর হাড়ে ব্যথা হয় তবে সে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত রোগ রিকেটসএ ভুগছে কি না, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে।
  • তীব্র ব্যথা হতে পারে হাড়ের প্রাথমিক ক্যানসার ছাড়াও অনেক সময় ফুসফুস, থাইরয়েডগ্রন্থি, স্তন, কিডনি ও প্রোস্টেটের ক্যানসার হাড়ে বিস্তৃত হয়ে ।
  • হাড়ব্যথার সঙ্গে যদি জ্বরও থাকে এমন সংক্রমণে বিশেষ করে হাড়ের টিবির কথা আগে বিবেচনায় নিতে হবে।

করণীয়

  • সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য শারীরিক পরীক্ষা ছাড়াও রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা যেমনপ্রস্রাব পরীক্ষা, অস্থিমজ্জা পরীক্ষা, এক্সরে, বিএমডি, বোন স্ক্যান, সিটি স্ক্যান ও এম.আর.আই ইত্যাদি ছাড়াও আরও অনেক পরীক্ষা করতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
  • যদি নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করা যায় তবে হাড় মজবুত ও শক্তিশালী হয়। তবে কায়িক পরিশ্রম ও সঠিক পুষ্টি হাড়কে ঘন, মজবুত ও শক্তিশালী করে কিশোর বয়সে ।
  • ডা. জি এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক, আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারি বিভাগ, বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, মিরপুর, ঢাকা

আমাদের আজকের আলোচনার মাধ্যমে আমরা জানলাম হাড়ের ব্যথা কেন হয় এবং হাড় ব্যথা হলে আপনি কি করবেন। এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। অস্থির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার কোন বিষয়ে জানার থাকলে আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

কিডনি চিকিৎসায় সচেতনতা ও দক্ষ জনবলে ঘাটতি

কিডনি সমস্যা অনেক বড় একটা সমস্যা বিশেষ করে বাংলাদেশে। বর্তমান জনসংখ্যার আদমশুমারী রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা গেছে যে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার রোগীর কিডনির অবিকল ঘটে থাকে এবং আরো দেখা যায় যে তাদের ৮০ শতাংশ মারা যান চিকিৎসার অভাবে তাও ডায়ালাইসিস বা সংযোজন চিকিৎসার অভাবে। Read in English
এই তো কিছুদিন আগেই দেখা গেছে যে, ২০১৬ সালে নারায়ণগঞ্জের এক লোক শাকিলের কিডনি রোগ ধরা পড়ে। তিনি আগে ঢালাইয়ের কাজে করে মাসে প্রায় ২০০০০ টাকা আয় করতেন। কিন্তু গত পাঁচ বছর থেকে তাকে সপ্তাহে দুইদিন ডায়ালাইসিস করাতে আসতে হচ্ছে। তাও নারায়ণগঞ্জ থেকে রাজধানীর মিরপুরে কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এ। তাকে একবার ডায়ালাইসিস করানো জন্য খরচ করতে হয় ১৬০০ টাকা। শুধু এই খরচই শেষ নয় সাথে খাবার খরচ, যাতায়াত খরচ এবং অন্যান্য খরচ তো আছেই। তিনি চার সন্তানের বাবা। কিন্তু বর্তমানে তার এই চিকিৎসার জন্য সে তার সন্তানদের জন্য রাখা জমিজমা সহ যা কিছু ছিল সবই বিক্রি করে দিয়েছেন তবুও তার কোন লাভ হয়নি।

গতকাল বুধবারের এক তথ্যতে শাকিল বলেছেন যে, ‘ তিনি অনেক জায়গায় ঘুরাঘুরি করেছেন কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। একেক ডাক্তার একেক কথা বলে থাকেন। তাতে কিছুই হয় না। ডাক্তাররা শুধু ওষুধ পরিবর্তন করে থাকেন, ওষুধের পরিমান বাড়িয়ে দেন কিন্তু কোন কাজ হয় না। অবশেষে তিনি এই কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর খোঁজ পান এবং সেখানে প্রতিনিয়ত চেক আপ করান। এখানকার ডাক্তারদের মতে তাকে সারাজীবন ডায়ালাইসিস করিয়েই বেচে থাকতে হবে। যত দিন বাঁচবে ততদিন ডায়ালাইসিস এর উপরেই থাকা লাগবে তাকে। সে এমনও বলেছে তার এমন অভাবের সংসারে এমন পরিস্থিতিতে সে কত দিন বাঁচবে বা কত দিন এই ডায়ালাইসিস করিয়ে বেচে থাকতে পারবে তা সে জানে না। সে বর্তমানে কোন কাজই আর করতে পারে না।’অবশ্য যদি চিকিৎসার উন্নতি বা হাতের নাগালে এই চিকিৎসার সেবা পাওয়া গেলে রোগটির প্রকোপ অনেকাংশে কমানো সম্ভব। বর্তমানে একটা কাজ করা যেতে পারে ১৪০০০ কমিউনিটি ক্লিনিককে সরকার কাজে লাগাতে পারে।এই উক্তি দেন -কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ,

বাংলাদেশের প্রায় ২০ কোটি মানুষের মধ্যে অন্তত ২ কোটি মানুষ প্রায় নানা ধরনের জটিল রোগে ভুগে থাকছেন। তবে এর মধ্যে ৮০ শতাংশই মারা যান কিডনি ডায়ালাইসিস বা সংযোজনের চিকিৎসার অভাবে। আবার প্রতি বছরে প্রায় ৪০ হাজার রোগীর কিডনি বিকল হয়।
তিনি আরো বলেন যে, বাংলাদেশে কিডনি রোগ নিয়ে কোনো নীতিমালা, কৌশলপত্র নেই এমনকি কোনো নির্দেশিকাও নেই। তবে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দেওয়া বিভিন্ন ধরনের পরিসংখ্যান থেকে বলছে যে, দেশে মাত্র একজন কিডনি বিশেষজ্ঞ বরাদ্দ করা আছেন ১২ থেকে ১৫ লাখ কিডনি বিকল মানুষের জন্য । এমনকি এ খাতে আরো বলা হয়েছে যে২০০ জনেরও কম প্রশিক্ষিত নার্সের সংখ্যা আছে । পুরো দেশে অনুমোদনপ্রাপ্ত কিডনি সংযোজন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১০ টি তাও করোনা শুরুর আগে। কিন্তু বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৪ টি তে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বছরের জানুয়ারির শুরুতে দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৬০ শয্যাবিশিষ্ট সমন্বিত ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ ইউনিটের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনের জন্য ঘোষণা করেছেন ।
Human-Kidney-660x330ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত

তবে ৩০ হাজার রোগীকে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দিচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু এই অনুদান ছাড়াও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বেসরকারি সংস্থা স্যানডোর ডায়ালাইসিস সার্ভিসেস বাংলাদেশ লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান সিদ্ধান্ত নেন যে দুটি হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হবে এবং তারা চুক্তিবদ্ধও হন। তখন দুইটি হাসপাতাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কথা ভাবেন। তার কারন হলো চলতি বছরেরই ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউটে রোগীদের হঠাৎ ডায়ালাইসিস বন্ধ হয়ে যায়। এই ডায়ালাইসিস বন্ধ থাকায় রোগী ও রোগীর স্বজনেরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। কারন জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে এ রোগের বিশেষায়িত কোন আহামরি ভাল সেবা নেই। তখন একইসাথে ডায়ালাইসিস চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও বন্ধ থাকে। এইসব দেখে তখন সংস্থাটি সিদ্ধান্ত নেন চুক্তিবদ্ধের কিন্তু সংস্থাটির ২১ কোটি টাকা বকেয়া থাকায় ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধ করে দিয়েছিল।

এমন সব ধরনের পরিস্থিতির পরেও দেশে আজ বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১০ই মার্চ পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব কিডনি দিবস’ হিসেবে। তবে ‘সুস্থ কিডনি সবার জন্য, জ্ঞানের সেতুবন্ধনে সাফল্য’ হচ্ছে এবারের এই দিবসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।এই রোগটি প্রতিরোধের জন্য ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথানাশক কোন ওষুধ না খাওয়া, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়া, ব্যায়াম করা বা হাঁটার মতো বিভিন্ন বিষয়গুলোতে মানুষের খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারন এই বিষয়ে সরকারের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর মো. রোবেদ আমিন বলেন, দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা আছে অসংখ্য তবে সেই অনুপাতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্সসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রেই ঘাটতি আছে অনেক পরিমানে।

আবার নতুন আরেকটি ঘটনা কিছুদিন আগেরই গত ২২ জানুয়ারি রাজধানীর শ্যামলীতে সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে (সিকেডি) চিকিৎসকেরা এক ৫৪ বছর বয়সী বুলি বেগমের দেওয়া কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন। ২৪ বছর বয়সী ছেলে জাহিদ হাসানের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয় সেই কিডনি টি। সব মিলে প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ হয় যায়। যা জমি- জায়গা থেকে শুরু করে বাড়ির ভিটা পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে এই ভদ্রলোককে। শ্যামলীতেই বাসা ভাড়া করে থাকতেন চিকিৎসকের ফলোআপের জন্য। সেই সুদূর পঞ্চগড় থেকে আসা এই মা আর ছেলেকে এমন করে কাটাতে হচ্ছে।

এই জাহিদ হাসান রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র।স্নাতকোত্তরে ভর্তির আগেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন জাহিদ হাসান। তারপরে গতকাল এক মুঠোফোনে জাহিদ জানান যে, তিনি ও তাঁর মা এখন বেশ ভালো আছেন। তবে তার আফসোস একটাই যে দুই বছর আগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের যে চিকিৎসক তাঁকে দেখেছিলেন। তিনি একবারের জন্যও জাহিদকে সতর্ক করেননি বা কিডনি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগও করতে বলেননি বা তাকে কোন ধরনের কোন সাহায্য করেন নি সুপরামর্শ দিয়ে। বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন প্রস্রাবে সমস্যা বলে ওষুধ দিয়ে দিয়ে ছেড়ে দিয়ে থাকতেন।

অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ কিডনি চিকিৎসায় দক্ষ জনবল বাড়ানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব দেন। কারন তিনি কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি অধ্যাপক হলেও তিনি কিডনি চিকিৎসায় দক্ষ। তাই তিনি এই জনবল বাড়ানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব দেন। তিনি আরো বলেন যে, কিডনি রোগ শনাক্তকরণের জন্য সরকার ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিককে কাজে লাগাতে পারে। আর হাতের নাগালে চিকিৎসা সেবা পেলে রোগটির প্রকোপ কমিয়ে আনা সম্ভব অনেকাংশে।

এই কিডনি বিষয়ে আন্তর্জাতিক কিডনি সমিতি সাতটি প্রশ্ন ঠিক করেছেন কোনো ব্যক্তির কিডনি রোগ আছে কি না তা জানার জন্য। যদি এসব প্রশ্নের উত্তর “না” ধরনের হয় তবে বুঝতে হবে ওই ব্যক্তি কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়নি।অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ আরও জানান যে মানুষ সহজেই বুঝতে পারে এ ধরনের বিষয়ে। সরকার যাতে প্রচার বাড়ায় সে আহ্বানও দিয়েছেন তিনি।

ধুমপান এর ক্ষতিকর দিক সমূহ এবং ভুল ধারণা

ধূমপান বর্তমান সমাজে একটি অতি সাধারন বিষয়। বর্তমান সমাজের সিংহভাগ মানুষ ধূমপান করে থাকে। ধূমপান যে একটি ক্ষতিকর অভ্যাস তা আমরা সকলেই জানি। তাই ধুমপান থেকে নিজেকে মুক্ত করতে এবং ধূমপান ছাড়তে হলে কি কি করণীয় তা আমরা আজকে বিস্তারিত জানব। আজকের ধূমপান ছাড়ার জন্য কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করা যায় এবং ধূমপানের কারণে আমাদের কি কি ক্ষতি হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন ডাক্তার তাসনিম জারা। ধূমপান এর খারাপ দিক সমূহ এবং ধূমপান ছাড়ার সবচেয়ে সহজ উপায় খুব সহজেই পর্যালোচনা করেছেন তিনি নিম্নে তা বর্ণনা করা হলো- Read in English

ধূমপান এর ক্ষতিকর দিক

ধূমপান ছাড়তে গিয়ে অনেকেই মাঝপথে মনোবল হারিয়ে ফেলেন। তাই প্রথমে নিজেকে বুঝিয়ে বলুন ধুমপান করলে আপনাদের শরীরের মধ্যে কি কি সমস্যা ঘটে। এতে আপনার ইচ্ছাশক্তি মজবুত হবে। আপনারা জানেন অক্সিজেন ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন প্রথমে ফুসফুসে যায়। সেখান থেকে ঢুকে যায় রক্তে। ফুসফুসে আছে কোটি কোটি বায়ু থলি। এসকল থলি থেকে অক্সিজেন রক্তে প্রবেশ করে। ধূমপান আপনাদের ফুসফুসের বায়ুথলি গুলোকে নষ্ট করতে থাকে। একবার নষ্ট হয়ে গেলে বায়ুথলি আর নতুন করে জন্ম হয় না। কোটি কোটি বায়ু থলি থাকার কারণে কিছু নষ্ট হলে আমরা সেগুলো বুঝতে পারিনা। তবে নীরবে ফুসফুসের ক্ষত হতে থাকে। দিনে দিনে অনেক বায়ুথলি নষ্ট হলে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট রোগ।

ই শ্বাসকষ্ট রোগ শুরু হলে তার থেকে আর পুরোপুরি সেরে ওঠার সুযোগ নেই। শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি ফুসফুসে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় অন্তত ২৫ গুণ। শুধু ফুসফুস নয় শরীরের প্রায় সবখানেই ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে এই ধূমপান। মুখ, পাকস্থলী, গলা, কিডনি, লিভার, মূত্রথলি, জরায়ু এমন লম্বা একটা লিস্ট।

ধূমপান সম্পর্কে প্রচলিত কিছু ভুল ধারনা

অনেক ধূমপানকারী কি বলতে শোনা যায় ধূমপান তো কেবল ঝুঁকি বাড়ায় হতেও পারে নাও হতে পার। আমার হয়তো হবেনা। এই চিন্তা যারা করেন তাদের জন্য দুইটা সংখ্যা তুলে ধরছি

(১) যারা ধূমপান করেন তাদের প্রতি দুজনের মধ্যে একজনের মৃত্যু ঘটায় এই ধূমপান অর্থাৎ জগতের যত মৃত্যুর কারণ আছে সে সবগুলো কারণ মিলে ৫০ জনের মৃত্যু ঘটলে বাকি ৫০ জনের মৃত্যু ধূমপান একাই ঘটায়

(২) একজন ধূমপানকারী ব্যক্তি গড়ে আট থেকে দশ বছর কম বাঁচেন। অর্থাৎ আপনার কোন বন্ধু যদি ধূমপান না করে সে যদি ৭০ বছর বাঁচে তবে আপনার বাঁচার সম্ভাবনা ৬০ থেকে ৬২ বছর। আবার অনেক ধূমপায়ী আছে যারা মনে করে মৃত্যু আসবে আসুক যতদিন বেঁচে আছি ততদিন আনন্দে বাঁচতে চাই। এখানে সমস্যা হল ধূমপান মৃত্যুর আগেই আপনার আনন্দ সহ্য করতে পারেনা তাই আপনার বাদ সাধতে পারে। যৌন প্রজনন ক্ষমতা কমে যাওয়া অর্থাৎ বাচ্চা না হওয়া অল্পবয়সী চামড়ায় ভাঁজ পড়া, হার্ট অ্যাটাকের, সম্ভাবনা বৃদ্ধি করা দাঁত মাড়ি নষ্ট হয়ে যাওয়া, চোখে ছানি পড়া, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া। ধূমপান হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় ।অনেকেই বলে থাকেন যারা ধূমপান করে না তাদেরও তো হার্ট অ্যাটাক হয় স্ট্রোক হয়। কথা ঠিক কিন্তু যুক্তি ভুল।

সে সকল কারনে মানুষের হার্ট অ্যাটাক হয় সেগুলো হলো হাই ব্লাড প্রেসার অতিরিক্ত ওজন। আপনার ও একই কারণে হতে পারে। বরং আপনি ধূমপান করে আরো নতুন একটি ঝুঁকি যোগ করছেন। কেউ আবার বলেন আমার শরীরে যা ক্ষতি তা তো হয়েই গেছে এখন আর ধূমপান ছেড়ে কোনো লাভ হবে না। এটি হচ্ছে একটি ভুল ধারণা। যখন থেকে ধূমপান ছেড়ে দেবেন তখন থেকে আপনার শরীর তার মেরামতের কাজ শুরু করে দিবে।

কি মেরামত করে?

শেষ সিগারেট খাওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যেই তার ব্লাড প্রেসার হার্টবিট স্বাভাবিক হয়ে আসতে থাকে। ৮ ঘন্টার মধ্যে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ স্বাভাবিক হতে থাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শরীর থেকে সব কার্বন-মনোক্সাইড বের হয়ে যায়। নাকের ঘ্রাণ ও মুখের স্বাদ ফিরে আসে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শ্বাসতন্ত্র প্রসারিত হতে শুরু করে ফলে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়। ৩ থেকে ৯ মাসের মধ্যে ফুসফুস এর ধারণক্ষমতা ১০% বাড়তে পারে। এক বছর পরে আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অর্ধেক এ নেমে আসে। পাঁচ বছরের মধ্যে মুখ গলা খাদ্যনালী এবং মূত্রথলি ক্যানসারের ঝুঁকি অর্ধেক নেমে আসে। ১০ বছর পরে ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অর্ধেক এ নেমে আসে এবং ১৫ বছর পরে আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এবং যে কখনোই ধূমপান করেনি তার হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি সমান হয়ে যায়। দারুন ব্যাপার তাই না আশা করি আপনাদের ধূমপান ছাড়ার মনোবল শক্ত হয়েছে।

ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করবে যে ৬ টি খাবার

ক্যালসিয়ামের অভাবে আমাদের হাড়ের বিভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকে। হাড়ের ক্ষয় জনিত রোগের কারণ হিসেবে ও ক্যালসিয়াম এর অভাব কে দায়ী করা হয়। ক্যালসিয়ামের অভাবে আমাদের হাঁটাচলা করতে সমস্যা হয় অথবা বিভিন্ন সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। হাড়ের যত্ন নিতে বাঙালিরা বেশিরভাগ সময়ই উদাসীন। যার ফলে ক্যালসিয়াম জনিত সমস্যায় প্রায় সবাইকেই পড়তে হয়। আজকের এই পোস্টে আমরা আপনাদের জানাব এমন ৬ টি খাবার সম্পর্কে যেগুলো আপনার খাদ্য তালিকায় রাখলে সহজেই ক্যালসিয়ামের অভাব থেকে মুক্তি পেতে পারেন। Read in English

এই খাবারগুলো আপনাকে ক্যালসিয়ামের অভাব থেকে বাঁচিয়ে রাখবে এবং দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণ করবে। আমাদের আজকের এই নিবন্ধটি সম্পূর্ণ পড়লে আপনি এই খাবার ৬ টি সম্পর্কে সকল তথ্য সহজে জানতে পারবেন। তাই সকল পাঠক কে আমাদের আজকের আলোচনাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

অতিরিক্ত সফট ড্রিংকস, অতিরিক্ত লবণ এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার আমাদের শরীরের হাড়ের খুব ক্ষতি করে থাকে। অতিরিক্ত চা-কফি পান করাও শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের অবশ্যই উচিত এই সকল খাবার গুলো সব সময় এড়িয়ে চলা। এরকম অনেক খাবার রয়েছে যেগুলো আমরা নিয়মিত খেয়ে থাকি এবং অজান্তেই সেগুলো আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি করে থাকে। আমাদের সবারই এই সকল খাবার গুলো সম্পর্কে জানা উচিত।

ক্যালসিয়ামের অভাব কেন হয়

ক্যালসিয়াম এর অভাব দূর করার তথ্যসমূহ জানার আগে আমাদের অবশ্যই জানতে হবে কী কারণে আমাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হতে পারে। আমাদের আলোচনায় আমরা প্রথমের সেগুলো আপনাদের জানাচ্ছি।

ক্যালসিয়াম মূলত এক ধরনের খনিজ পদার্থ যা আমাদের শরীরের হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের শরীরে হাড় গঠন এবং দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় এর গুরুত্ব অপরিসীম। নিম্নলিখিত কাজগুলো করার ফলে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিতে পারে।

  • মাত্রাতিরিক্ত ব্যায়াম করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
  • প্রচুর পরিমাণে কোমল পানীয় পান করলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয়।
  • দুর্বল শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যেতে পারে।
  • অনেক সময় নারী ক্রীড়াবিদদের মেনোপজের সময় বেশি ক্যালসিয়াম ক্ষয় হয়ে থাকে।
  • অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা মেদ যুক্ত খাবার খাবার খেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয়।
  • অ্যালকোহল ও তামাক জাতীয় খাদ্য খেলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
  • অতিরিক্ত সব ড্রিংস চা-কফি পান করলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়।
  • মিহি শস্য, মাইট ইত্যাদিতে ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে।

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ কারী ৬ খাবার

আলোচনার এই অংশে আমরা জানবো সেই সব ৬ টি খাবার সম্পর্কে যেগুলো আমাদের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে পারে। আজকের এই আলোচনায় আমরা যে ৬ টি খাবার সম্পর্কে তথ্য উল্লেখ করব সেগুলো হল-

  • ব্রকলি
  • টক জাতীয় ফল সমূহ
  • সয়াবিন
  • ঢেঁড়স
  • কাঠবাদাম ও
  • তিলের বীজ

ব্রকলি

সর্ব প্রথমে আমরা ব্রকলি এর খাদ্যগুণাগুণ সম্পর্কে জানব। মজবুত দাঁত ও হাড় পেতে নিয়মিত ব্রকলি খাওয়া যেতে পারে। এই সবজিটি ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের জন্য অন্যতম প্রধান একটি খাবার। ব্রকলি তে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। এই সবজিটির সহজেই আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম।

brokoli
ব্রকলি

টক জাতীয় ফল সমূহ

বিভিন্ন টক জাতীয় ফল থেকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। শরীরকে সুস্থ এবং ক্যালসিয়াম এর অভাব মুক্ত রাখতে নিয়মিত টকজাতীয় ফল সমূহ খেতে পারেন। কমলালেবু, বাতাবি লেবু, পাতিলেবুর মতো যে কোন লেবুতেই থাকে ভিটামিন সি আর সাইট্রিক অ্যাসিড। এই খাদ্য উপাদান গুলো আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে।

tok-jatiyo-ful
ফল সমূহ

সয়াবিন

ক্যালসিয়ামের অন্যতম প্রধান একটি উৎস হল সয়াবিন। সয়াবিনে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম বিদ্যমান। এক কাপ সয়াবিনে প্রায় ১৭৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে নিয়মিত সয়াবিন খান।

soyabean
সয়াবিন

ঢেঁড়স

প্রায় ৫০ গ্রাম ঢেঁড়সে ১৭৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম বিদ্যমান। শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে নিয়মিত ঢেঁড়স অথবা ভেন্ডি খেতে পারেন।

Dheros
ঢেঁড়স

কাঠবাদাম

যেকোনো ধরনের বাদাম ক্যালসিয়ামের অনেক বড়  উৎস। কাঠবাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। কাঠবাদাম খাওয়ার মাধ্যমে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দ্রুত পূরণ করতে নিয়মিত কাঠ বাদাম খাওয়া যেতে পারে। এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে সুস্থ ও সবল হার এবং দাঁত পেতে পারেন।

kathbadam
কাঠবাদাম

তিলের বীজ

তিলের বীজ এবং তিলের তেলের প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। শরীর সুস্থ রাখতে ক্যালসিয়াম অত্যন্ত জরুরী। আর ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে তিনি অন্যতম প্রধান উপাদান হতে পারে। ১০০ গ্রাম তিলের বীজ প্রায় এক হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম বিদ্যমান। নিয়মিত তিলের বীজ খেলে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব মুক্ত রাখা সম্ভব।

tiler-bij
তিলের বীজ

শরীরকে ক্যালসিয়ামের অভাব মুক্ত রাখতে উপরোক্ত ৬ টি খাবার নিয়মিত খেতে পারেন। শরীরে হাড় এবং দাঁত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের অবশ্যই শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব মুক্ত রাখতে হবে। এরকম আরো আলোচনা পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।